বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউসের নেয়া আইনী সীমার অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের সময়সীমা বৃদ্ধির নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইতোমধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পৰ থেকে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) এ বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) নেতৃবৃন্দসহ সকল মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে এসইসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। পুঁজিবাজারের তারল্য সঙ্কট দূর করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বর্তমান আইনী সীমার মধ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য এসইসির পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হবে বলে তিনি জানান।
সাইফুর রহমান বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেয়া একক গ্রাহক সীমার (সিঙ্গেল পার্টি এঙ্পোজার লিমিট) অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ঋণ যাতে আরও সময় নিয়ে ধাপে ধাপে সমন্বয় করতে পারে সে বিষয়ে পদৰেপ নেয়া হবে। তিনি পুঁজিবাজারবান্ধব এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইতিবাচক মনোভাব এবং এসইসির পৰ থেকে যেসব পদৰেপ নেয়া হয়েছে_ আশা করি তাতে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তার দায়ের (আমানতের) ১০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু বর্তমানে ২-১টি ব্যাংক ছাড়া বাকিগুলো ১০ শতাংশের অনেক কম বিনিয়োগ করেছে। ফলে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। ব্যাংক যাতে শেয়ারবাজারে তাদের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে_ সেজন্য এসইসির পৰ থেকে অনুরোধ জানানো হবে। প্রয়োজনে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে এসইসি কথা বলবে।
এ বিষয়ে বিএমবিএর সাধারণ সম্পাদক এবং জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, ব্যাংকগুলো দায়ের ১০ শতাংশ অর্থ নিজেরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। অথবা এই অর্থ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও বাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। এতে করে বাজারে তারল্য সঙ্কট কেটে যাবে।
প্রসত্মাবিত নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা নিয়ে সৃষ্ট গুজব সম্পর্কে এসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনের একটি খসড়া প্রণয়ন করে মতামতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। এটি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়। খসড়া চূড়ানত্ম করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতীয় সংসদে এটি উত্থাপন করা হবে। এরপর তা পাস হতেও সময় লাগবে। সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটিই সময়সাপেৰ। ফলে এ নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার যৌক্তিকতা নেই।
তিনি বলেন, নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনে ইকু্যইটির ২৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের প্রসত্মাব করা হয়েছে। তবে আইন চূড়ানত্ম হওয়ার আগে অনেক কিছুই পরিবর্তন হতে পারে।
বিএমবিএ সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজ বলেন, এসইসির কাছে মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগ সৰমতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। কারণ যে সময় মার্চেন্ট ব্যাংক আইন করা হয়েছিল তখন নূ্যনতম মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ কোটি টাকা। পরে তা বাড়িয়ে ১০ কোটি টাকা করা হয়। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে সাবসিডিয়ারি করার পর একেক প্রতিষ্ঠান একেক পরিমাণ মূলধন নিয়ে কাজ করছে। এ অবস্থায় সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধনের সীমা বাড়ানোর জন্য এসইসিকে অনুরোধ করা হয়েছে।
তিনি জানান, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যাতে নিজস্ব উদ্যোগে মূলধন ও তহবিল সংগ্রহ করতে পারে_ সে বিষয়ে এসইসি ব্যবস্থা নেবে। এৰেত্রে বন্ড, ঋণপত্র ও আমানত সংগ্রহ করার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
তিনি বলেন, বিএমবিএর পৰ থেকে অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের সময় ২০১৪ সাল পর্যনত্ম বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো নিজেরাই আর্থিকভাবে সৰম হয়ে উঠবে। ফলে ওই সময় ঋণ সমন্বয় করা হলেও বাজারে কোন প্রভাব পড়বে না।
সাইফুর রহমান বলেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেয়া একক গ্রাহক সীমার (সিঙ্গেল পার্টি এঙ্পোজার লিমিট) অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সময়সীমা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই ঋণ যাতে আরও সময় নিয়ে ধাপে ধাপে সমন্বয় করতে পারে সে বিষয়ে পদৰেপ নেয়া হবে। তিনি পুঁজিবাজারবান্ধব এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইতিবাচক মনোভাব এবং এসইসির পৰ থেকে যেসব পদৰেপ নেয়া হয়েছে_ আশা করি তাতে পুঁজিবাজারে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তার দায়ের (আমানতের) ১০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু বর্তমানে ২-১টি ব্যাংক ছাড়া বাকিগুলো ১০ শতাংশের অনেক কম বিনিয়োগ করেছে। ফলে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। ব্যাংক যাতে শেয়ারবাজারে তাদের বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে_ সেজন্য এসইসির পৰ থেকে অনুরোধ জানানো হবে। প্রয়োজনে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে এসইসি কথা বলবে।
এ বিষয়ে বিএমবিএর সাধারণ সম্পাদক এবং জনতা ক্যাপিটাল এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী মোঃ জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, ব্যাংকগুলো দায়ের ১০ শতাংশ অর্থ নিজেরা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। অথবা এই অর্থ মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও বাজারে বিনিয়োগ করতে পারে। এতে করে বাজারে তারল্য সঙ্কট কেটে যাবে।
প্রসত্মাবিত নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা নিয়ে সৃষ্ট গুজব সম্পর্কে এসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনের একটি খসড়া প্রণয়ন করে মতামতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। এটি একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়। খসড়া চূড়ানত্ম করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতীয় সংসদে এটি উত্থাপন করা হবে। এরপর তা পাস হতেও সময় লাগবে। সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়াটিই সময়সাপেৰ। ফলে এ নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার যৌক্তিকতা নেই।
তিনি বলেন, নতুন ব্যাংক কোম্পানি আইনে ইকু্যইটির ২৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের প্রসত্মাব করা হয়েছে। তবে আইন চূড়ানত্ম হওয়ার আগে অনেক কিছুই পরিবর্তন হতে পারে।
বিএমবিএ সভাপতি মোহাম্মদ এ হাফিজ বলেন, এসইসির কাছে মার্চেন্ট ব্যাংকের বিনিয়োগ সৰমতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। কারণ যে সময় মার্চেন্ট ব্যাংক আইন করা হয়েছিল তখন নূ্যনতম মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ কোটি টাকা। পরে তা বাড়িয়ে ১০ কোটি টাকা করা হয়। মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে সাবসিডিয়ারি করার পর একেক প্রতিষ্ঠান একেক পরিমাণ মূলধন নিয়ে কাজ করছে। এ অবস্থায় সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধনের সীমা বাড়ানোর জন্য এসইসিকে অনুরোধ করা হয়েছে।
তিনি জানান, মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো যাতে নিজস্ব উদ্যোগে মূলধন ও তহবিল সংগ্রহ করতে পারে_ সে বিষয়ে এসইসি ব্যবস্থা নেবে। এৰেত্রে বন্ড, ঋণপত্র ও আমানত সংগ্রহ করার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
তিনি বলেন, বিএমবিএর পৰ থেকে অতিরিক্ত ঋণ সমন্বয়ের সময় ২০১৪ সাল পর্যনত্ম বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো নিজেরাই আর্থিকভাবে সৰম হয়ে উঠবে। ফলে ওই সময় ঋণ সমন্বয় করা হলেও বাজারে কোন প্রভাব পড়বে না।
Comments
Post a Comment