০ জুলাইয়ে প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ
০ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ২৯ শতাংশ
আবারও রেকর্ড গড়ার আর লক্ষমাত্রা ছাড়িয়া যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে রফতানি খাত। বিগত দিনের ধারাবাহিক সম্ভাবনায় পা রেখে চলতি অর্থবছরের শুরুতেই আশা জাগানিয়া প্রবৃদ্ধি করেছে রফতানি খাত। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই (জুলাই) ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৯ শতাংশ বেশি প্রবৃদ্ধি গড়ে রফতানির সর্বোচ্চ চূড়াকে স্পর্শ করার সম্ভাবনাকেই জানান দিচ্ছে বাংলদেশ।
রফতানি উন্নয়ন বু্যরোর সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা গেছে, এই সময়ে ২৬টি রফতানি খাত রফতানিতে কমবেশি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি করেছে। আর ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৪টি খাতের। তবে প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশের রফতানির প্রধান খাত নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস ও ফেব্রিক্স, হোম টেঙ্টাইল, ফুটওয়্যার, লেদার ও চিংড়ি রফতানিতে বেশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রফতানি পণ্যের অন্য খাতগুলোতে জুলাই মাসে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও এ অবস্থা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশ সনত্মোষজনকই বলতে হবে।
রফতানি উন্নয়ন বু্যরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী এবার পুরো অর্থবছর জুড়ে ২৬শ' ৫০ মিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লৰ্যমাত্রা রয়েছে। আগের অর্থবছর থেকে এ লৰ্যমাত্রা ১৫ শতাংশ বেশি। তবে শুধু জুলাই মাসে এ লৰ্যমাত্রার হার ধরা হয়েছে ২১৭ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। এর বিপরীতে রফতানি আয় অর্জিত হয়েছে ২৩৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। যা ২০০৯-১০ অর্থবছরের তুলনায় ২৮ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি।
গত ২০১০-১১ অর্থবছরে রফতানি আয়ে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ওই সময় মোট রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা। যা লৰ্যমাত্রার চেয়ে সাড়ে ৪১ শতাংশ বেশি ছিল।
উদ্যোক্তারা বলছেন, উৎপাদন কর্মকা-ে শিল্প-কারখানার নানাবিধ সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও অর্জিত প্রবৃদ্ধি শুধু সনত্মোষজনকই নয়, প্রশংসারও দাবি রাখে। বিশ্ব বাজারে প্রতিনিধিত্ব করার উদ্যোক্তাদের অদম্য ইচ্ছা ও সাহসিকতার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করছেন সংশিস্নষ্টরা।
এ ব্যাপারে বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল (অব) মুহম্মদ ফারম্নক খান বরাবরই দাবি করে আসছে রফতানি খাতকে চাঙ্গা করতে সরকারের নানামুখী পদৰেপের পাশাপাশি খাত ও পণ্যভিত্তিক ৩ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যনত্ম ক্যাশ ইনসেনটিভ প্রদান করায় উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হচ্ছে। এর ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রফতানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি রফতানির পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।
রফতানি উন্নয়ন বু্যরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ রফতানি খাতে উত্তরোত্তর প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে বলেন, বিগত সময়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ন্যায় প্রধান প্রধান রফতানি খাতগুলোতে গত মাসেও (জুলাই) ভাল প্রবৃদ্ধি করেছে। এছাড়া বেশকিছু খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হলেও গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় রফতানি আয়ে তারতম্য কমে এসেছে।
ধারাবাহিক রফতানি প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ জানান, উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার মরিয়া চেষ্টাই অর্জিত প্রবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তাছাড়া রফতানি খাতকে উৎসাহিত করতে সরকার উদ্যোক্তাদের ক্যাশ ইনসেনটিভ প্রদানসহ শিল্পবান্ধব পরিস্থিতি সৃষ্টিতে আনত্মরিকতাও এই সুফলের দাবি রাখে।
এ কে আজাদ বলেন, শিল্প-কারখানাগুলোতে বর্তমানে শানত্মিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে। শ্রমিকরাও কাজে মনোযোগী হয়েছে। অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে শিল্পে মালিক-শ্রমিকের সম্পর্কেরও উন্নয়ন হয়েছে। এসব ইতিবাচক দিক উৎপাদন কর্মকা-কে ত্বরান্বিত করছে। অন্যদিকে বিদেশে পণ্যমূল্য ও শ্রমমূল্য বৃদ্ধি ঘটায় ক্রেতারা ক্রমেই বাংলাদেশমুখী হচ্ছে। এ কারণে রফতানি গনত্মব্যে নতুন নতুন দেশ ও বায়ার প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে। সব মিলিয়ে রফতানি খাত চাঙ্গা হওয়ায় এ চলতি বছরও উত্তরোত্তর প্রবৃদ্ধি ঘটছে।
প্রতিবদনে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী জানা যায়, গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি ভাল প্রবৃদ্ধির ওল এবং ওলজাত দ্রব্য রফতানিতে চলতি বছরের জুলাই মাসে ১০০ শতাংশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। এছাড়া প্রধান প্রধান রফতানি পণ্যসমূহে রফতানি আয় নির্ধারিত লৰ্যমাত্রার চেয়ে এবং গত আগের অর্থবছরের তুলনায় বেশি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস, জুট এ্যান্ড জুট গুডস, হোম টেঙ্টাইল, হিমায়িত খাদ্য, চিংড়ি, লেদার, এগ্রি্রকালচার প্রডাক্ট, লেদার প্রডাক্ট, হ্যান্ডিক্রাফটস, পেট্রোলিয়াম বাই প্রডাক্টস, কেমিক্যাল প্রডাক্টস, ফুটওয়্যার প্রবৃদ্ধি, ভেসেলস এবং ইলেকট্রিক প্রডাক্টস।
তবে বেশকিছু ৰেত্রে রফতানি প্রবৃদ্ধি ঘটলেও কিছু পণ্যে রফতানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে কম হয়েছে। অন্যদিকে বেশকিছু খাতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধিও ঘটেছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, পস্নাষ্টিক দ্রব্যজাত ও পিভিসি ব্যাগ, কাঠ ও কাঠজাত দ্রব্য, পাল্প, চা, বিশেষায়িত টেঙ্টাইল পণ্য, গস্নাস ও গস্নাসওয়াযার, বাইসাইকেল, কার্পেট জুট, টেরি টাওয়েল, বিল্ডিং ও প্রিন্টেড ম্যাটিরিয়ালস, ক্যাপ, সিরামিক প্রোডাক্ট খাতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-08-09&ni=67259
০ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ২৯ শতাংশ
আবারও রেকর্ড গড়ার আর লক্ষমাত্রা ছাড়িয়া যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে রফতানি খাত। বিগত দিনের ধারাবাহিক সম্ভাবনায় পা রেখে চলতি অর্থবছরের শুরুতেই আশা জাগানিয়া প্রবৃদ্ধি করেছে রফতানি খাত। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই (জুলাই) ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৯ শতাংশ বেশি প্রবৃদ্ধি গড়ে রফতানির সর্বোচ্চ চূড়াকে স্পর্শ করার সম্ভাবনাকেই জানান দিচ্ছে বাংলদেশ।
রফতানি উন্নয়ন বু্যরোর সোমবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী দেখা গেছে, এই সময়ে ২৬টি রফতানি খাত রফতানিতে কমবেশি ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি করেছে। আর ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৪টি খাতের। তবে প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশের রফতানির প্রধান খাত নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস ও ফেব্রিক্স, হোম টেঙ্টাইল, ফুটওয়্যার, লেদার ও চিংড়ি রফতানিতে বেশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। রফতানি পণ্যের অন্য খাতগুলোতে জুলাই মাসে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি দেখা গেলেও এ অবস্থা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেশ সনত্মোষজনকই বলতে হবে।
রফতানি উন্নয়ন বু্যরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী এবার পুরো অর্থবছর জুড়ে ২৬শ' ৫০ মিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লৰ্যমাত্রা রয়েছে। আগের অর্থবছর থেকে এ লৰ্যমাত্রা ১৫ শতাংশ বেশি। তবে শুধু জুলাই মাসে এ লৰ্যমাত্রার হার ধরা হয়েছে ২১৭ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। এর বিপরীতে রফতানি আয় অর্জিত হয়েছে ২৩৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ। যা ২০০৯-১০ অর্থবছরের তুলনায় ২৮ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি।
গত ২০১০-১১ অর্থবছরে রফতানি আয়ে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ওই সময় মোট রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬০ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা। যা লৰ্যমাত্রার চেয়ে সাড়ে ৪১ শতাংশ বেশি ছিল।
উদ্যোক্তারা বলছেন, উৎপাদন কর্মকা-ে শিল্প-কারখানার নানাবিধ সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও অর্জিত প্রবৃদ্ধি শুধু সনত্মোষজনকই নয়, প্রশংসারও দাবি রাখে। বিশ্ব বাজারে প্রতিনিধিত্ব করার উদ্যোক্তাদের অদম্য ইচ্ছা ও সাহসিকতার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করছেন সংশিস্নষ্টরা।
এ ব্যাপারে বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল (অব) মুহম্মদ ফারম্নক খান বরাবরই দাবি করে আসছে রফতানি খাতকে চাঙ্গা করতে সরকারের নানামুখী পদৰেপের পাশাপাশি খাত ও পণ্যভিত্তিক ৩ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যনত্ম ক্যাশ ইনসেনটিভ প্রদান করায় উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হচ্ছে। এর ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রফতানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি রফতানির পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।
রফতানি উন্নয়ন বু্যরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ রফতানি খাতে উত্তরোত্তর প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে বলেন, বিগত সময়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির ন্যায় প্রধান প্রধান রফতানি খাতগুলোতে গত মাসেও (জুলাই) ভাল প্রবৃদ্ধি করেছে। এছাড়া বেশকিছু খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হলেও গত অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় রফতানি আয়ে তারতম্য কমে এসেছে।
ধারাবাহিক রফতানি প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি এ কে আজাদ জানান, উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার মরিয়া চেষ্টাই অর্জিত প্রবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। তাছাড়া রফতানি খাতকে উৎসাহিত করতে সরকার উদ্যোক্তাদের ক্যাশ ইনসেনটিভ প্রদানসহ শিল্পবান্ধব পরিস্থিতি সৃষ্টিতে আনত্মরিকতাও এই সুফলের দাবি রাখে।
এ কে আজাদ বলেন, শিল্প-কারখানাগুলোতে বর্তমানে শানত্মিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রয়েছে। শ্রমিকরাও কাজে মনোযোগী হয়েছে। অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে শিল্পে মালিক-শ্রমিকের সম্পর্কেরও উন্নয়ন হয়েছে। এসব ইতিবাচক দিক উৎপাদন কর্মকা-কে ত্বরান্বিত করছে। অন্যদিকে বিদেশে পণ্যমূল্য ও শ্রমমূল্য বৃদ্ধি ঘটায় ক্রেতারা ক্রমেই বাংলাদেশমুখী হচ্ছে। এ কারণে রফতানি গনত্মব্যে নতুন নতুন দেশ ও বায়ার প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে। সব মিলিয়ে রফতানি খাত চাঙ্গা হওয়ায় এ চলতি বছরও উত্তরোত্তর প্রবৃদ্ধি ঘটছে।
প্রতিবদনে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী জানা যায়, গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি ভাল প্রবৃদ্ধির ওল এবং ওলজাত দ্রব্য রফতানিতে চলতি বছরের জুলাই মাসে ১০০ শতাংশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। এছাড়া প্রধান প্রধান রফতানি পণ্যসমূহে রফতানি আয় নির্ধারিত লৰ্যমাত্রার চেয়ে এবং গত আগের অর্থবছরের তুলনায় বেশি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস, জুট এ্যান্ড জুট গুডস, হোম টেঙ্টাইল, হিমায়িত খাদ্য, চিংড়ি, লেদার, এগ্রি্রকালচার প্রডাক্ট, লেদার প্রডাক্ট, হ্যান্ডিক্রাফটস, পেট্রোলিয়াম বাই প্রডাক্টস, কেমিক্যাল প্রডাক্টস, ফুটওয়্যার প্রবৃদ্ধি, ভেসেলস এবং ইলেকট্রিক প্রডাক্টস।
তবে বেশকিছু ৰেত্রে রফতানি প্রবৃদ্ধি ঘটলেও কিছু পণ্যে রফতানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে কম হয়েছে। অন্যদিকে বেশকিছু খাতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধিও ঘটেছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে সিমেন্ট, পস্নাষ্টিক দ্রব্যজাত ও পিভিসি ব্যাগ, কাঠ ও কাঠজাত দ্রব্য, পাল্প, চা, বিশেষায়িত টেঙ্টাইল পণ্য, গস্নাস ও গস্নাসওয়াযার, বাইসাইকেল, কার্পেট জুট, টেরি টাওয়েল, বিল্ডিং ও প্রিন্টেড ম্যাটিরিয়ালস, ক্যাপ, সিরামিক প্রোডাক্ট খাতে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-08-09&ni=67259
Comments
Post a Comment