পুঁজিবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগের ব্যাপারে নীতিমালা প্রণয়ন করে শিগগিরই এসআরও জারি করবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চূড়ান্ত বাজেট ঘোষণার পর ১ জুলাই থেকে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ কার্যকর হলেও এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো নীতিমালা না থাকায় এ নিয়ে বাজারে নানা ধরনের বিভ্রান্তি রয়েছে। বাজেট অনুযায়ী আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত শেয়ারবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগ করা যাবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক বছরের জন্য কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হলেও বিনিয়োগকৃত টাকা কমপক্ষে দু’বছর বাজারে ধরে রাখতে হবে। অর্থাত্ ২০১৩ সালের জুলাই পর্যন্ত বিনিয়োগের টাকা ফেরত নেয়া যাবে না। তবে এ সময়ের মধ্যে শেয়ার লেনদেন করে শুধ মুনাফা তুলে নিতে পারবেন। চূড়ান্ত নীতিমালায় এমন ধরনের নির্দেশনা থাকতে পারে। কালো টাকা বিনিয়োগের পর পরই যাতে কেউ অল্পসময়ের মধ্যে বাজার থেকে বের হতে না পারে সে জন্য লকইনের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
সূত্র আরও জানায়, বিনিয়োগকারীকে অবশ্যই ঘোষণা দিতে হবে তিনি কি পরিমাণ অর্থ বৈধ করবেন। যে পরিমাণ অর্থ ঘোষণা করা হবে তার বিপরীতে নির্ধারিত হারে কর দিয়ে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এনবিআর’র তৈরি করা আলাদা ঘোষণাপত্রে নাম, ঠিকানা, ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বরসহ (টিআইএন) ইত্যাদি তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এসব তথ্য উল্লেখ করার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীর বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টের বিবরণী ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। যারা কর ফাঁকি দিয়েছেন এবং ফাঁকির অভিযোগে শাস্তি ভোগ করেছেন এমন ব্যক্তি এ সুযোগ পাবেন না। আর যাদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রয়েছে এবং মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তারাও এ সুযোগটি গ্রহণ করতে পারবেন না।
তবে সরকারি ট্রেজারি বন্ডে কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া না হলেও স্বাভাবিক নিয়মে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুযোগ থাকবে। তবে ৩০ জুনের পর প্রয়োজন মনে করলে সরকার সময়সীমা আরও বাড়াতে পারে। এ বন্ড ইস্যু করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ বিষয়েও একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে। তাতে বন্ডের মেয়াদ, সুদের হার, বিনিয়োগের পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/07/05/91176
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী এক বছরের জন্য কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া হলেও বিনিয়োগকৃত টাকা কমপক্ষে দু’বছর বাজারে ধরে রাখতে হবে। অর্থাত্ ২০১৩ সালের জুলাই পর্যন্ত বিনিয়োগের টাকা ফেরত নেয়া যাবে না। তবে এ সময়ের মধ্যে শেয়ার লেনদেন করে শুধ মুনাফা তুলে নিতে পারবেন। চূড়ান্ত নীতিমালায় এমন ধরনের নির্দেশনা থাকতে পারে। কালো টাকা বিনিয়োগের পর পরই যাতে কেউ অল্পসময়ের মধ্যে বাজার থেকে বের হতে না পারে সে জন্য লকইনের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
সূত্র আরও জানায়, বিনিয়োগকারীকে অবশ্যই ঘোষণা দিতে হবে তিনি কি পরিমাণ অর্থ বৈধ করবেন। যে পরিমাণ অর্থ ঘোষণা করা হবে তার বিপরীতে নির্ধারিত হারে কর দিয়ে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। এনবিআর’র তৈরি করা আলাদা ঘোষণাপত্রে নাম, ঠিকানা, ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বরসহ (টিআইএন) ইত্যাদি তথ্য সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। এসব তথ্য উল্লেখ করার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীর বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্টের বিবরণী ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। যারা কর ফাঁকি দিয়েছেন এবং ফাঁকির অভিযোগে শাস্তি ভোগ করেছেন এমন ব্যক্তি এ সুযোগ পাবেন না। আর যাদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রয়েছে এবং মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তারাও এ সুযোগটি গ্রহণ করতে পারবেন না।
তবে সরকারি ট্রেজারি বন্ডে কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা বেঁধে দেয়া না হলেও স্বাভাবিক নিয়মে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এ সুযোগ থাকবে। তবে ৩০ জুনের পর প্রয়োজন মনে করলে সরকার সময়সীমা আরও বাড়াতে পারে। এ বন্ড ইস্যু করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ বিষয়েও একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে। তাতে বন্ডের মেয়াদ, সুদের হার, বিনিয়োগের পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/07/05/91176
Comments
Post a Comment