প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য পর্যালোচনা ও অনুমোদিত প্রতিনিধিদের ভুল-ত্রুটি নিরীক্ষায় পৃথক কমিটি
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়িয়ে গুজবনির্ভর বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণের জন্য পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান (রিসার্চ এ্যান্ড এ্যাডভাইজরি সার্ভিস) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ও কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের জন্য ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই কমিটি অনুমোদন করা হয়। সভায় নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতিতে প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য পর্যালোচনার জন্য আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয়াদেশ প্রদানে অনুমোদিত প্রতিনিধিদের অনিচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটি নিরীৰা করে এ বিষয়ে উন্নততর নীতিমালা প্রণয়নের জন্য পাঞ্চিং এরোর কমিটি গঠনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।
পরামর্শ প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত নীতিমালা : বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে পরামর্শক কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে এখনও এ ধরনের কোন উদ্যোগ নেই। শেয়ারবাজারে বিশ্লেষণধর্মী বিনিয়োগ প্রবণতা বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল থেকে পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালু করা হলে একদিকে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়বে, তেমনি বাজারে গুজবভিত্তিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালুর উদ্যোগ নিয়েছে এসইসি।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিনিয়োগকারীদের সঠিক দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য পেশাদার পরামর্শ প্রতিষ্ঠান চালু করা প্রয়োজন বলে কমিশন মনে করছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করতে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অগ্রাধিকারভিত্তিতে পরামর্শ প্রতিষ্ঠান সংক্রানত্ম নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
মূল্য পর্যালোচনা কমিটি আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসার জন্য নতুন কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের পাশাপাশি স্থির মূল্য পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছিল খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটি। এর ভিত্তিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কমিটি পুনর্গঠনের এক মাসের মধ্যে স্বল্পমেয়াদে যেসব পদৰেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিলেন তারমধ্যে মূল্য পর্যালোচনা কমিটি গঠনের বিষয়টিও ছিল।
পুনর্গঠনের প্রায় আড়াই মাস পর মঙ্গলবার ৫ সদস্যের শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য পর্যালোচনা কমিটি গঠনের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এসইসি। কমিটির সদস্যরা হলেন_ আইসিএবির সভাপতি, আইসিএমএবির সভাপতি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অথবা হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান। তবে নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরা ইচ্ছা করলে তার কোন প্রতিনিধিকে এই কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করতে পারবেন।
সভায় মূল্য পর্যালোচনা কমিটি গঠনের পাশাপাশি এর কার্যপরিধিও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। কমিশনের পৰ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির পর এই কমিটি তাদের কাজ শুরু করবে।
পাঞ্চিং এরোর কমিটি ॥ কম্পিউটারের মাধ্যমে শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয়াদেশ প্রদান করতে গিয়ে অনেক সময় ব্রোকারেজ হাউসের অনুমোদিত প্রতিনিধিরা ভুলবশত (পাঞ্চিং এরোর) কী-বোর্ডের এক বাটনের পরিবর্তে অন্য বাটনে চাপ দেন। এ ধরনের ভুলের কারণে শেয়ারের শর্টসেলসহ নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে থাকে। কিন্তু বর্তমান বিধি অনুযায়ী যে কোনভাবে শর্টসেল হলেই পরদিন ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন বন্ধ রাখতে হয়। এতে ওই হাউসের বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী দুর্ভোগে পড়েন। এছাড়া অনুমোদিত প্রতিনিধিদের অনিচ্ছাকৃত ভুল চিহ্নিত করার কোন ব্যবস্থা না থাকায় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।
এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্যই অনুমোদিত প্রতিনিধিদের ভুল পরীৰার উন্নততর নীতিমালা প্রণয়নের জন্য পাঞ্চিং এরোর কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।
দুই শর্তে রাইট শেয়ারের অনুমোদন পেল ইউনাইটেড এয়ার
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বাংলাদেশ লিমিটেডকে রাইট শেয়ার ছেড়ে পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই কোম্পানির রাইট শেয়ারের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। তবে রাইট ইস্যুর জন্য সংশিস্নষ্ট বিধিমালার সঙ্গে দু'টি বিশেষ শর্ত বেঁধে দিয়েছে এসইসি।
ইউনাইটেড এয়ার মোট ২১ কোটি রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার পাবেন। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৫ টাকা নেয়া হবে।
সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (রাইট ইসু্য) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী রাইট শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পেলেও বিশেষ ৰমতাবলে কোম্পানিটির প্রতি শর্ত আরোপ করেছে এইসসি। এর আগে কোম্পানিটি ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ারের মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। গত সপ্তাহে পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রিমিয়াম কমিয়ে ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। রাইট শেয়ারের টাকা জমা নেয়ার আগেই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করে এই সিদ্ধানত্ম অনুমোদন করিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে এসইসি। এছাড়া রাইট শেয়ারের মাধ্যমে সংগৃহিত অর্থ প্রসত্মাবপত্রে (অফার ডকুমেন্টে) ঘোষিত উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোন খাতে ব্যবহার না করার শর্ত দিয়েছে এসইসি।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-07-27&ni=66079
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়িয়ে গুজবনির্ভর বিনিয়োগ নিয়ন্ত্রণের জন্য পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান (রিসার্চ এ্যান্ড এ্যাডভাইজরি সার্ভিস) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন ও কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের জন্য ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই কমিটি অনুমোদন করা হয়। সভায় নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতিতে প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য পর্যালোচনার জন্য আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। এছাড়া শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয়াদেশ প্রদানে অনুমোদিত প্রতিনিধিদের অনিচ্ছাকৃত ভুল ত্রুটি নিরীৰা করে এ বিষয়ে উন্নততর নীতিমালা প্রণয়নের জন্য পাঞ্চিং এরোর কমিটি গঠনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।
পরামর্শ প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত নীতিমালা : বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে পরামর্শক কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা থাকলেও বাংলাদেশে এখনও এ ধরনের কোন উদ্যোগ নেই। শেয়ারবাজারে বিশ্লেষণধর্মী বিনিয়োগ প্রবণতা বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল থেকে পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠান চালু করা হলে একদিকে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা বাড়বে, তেমনি বাজারে গুজবভিত্তিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই পরামর্শক প্রতিষ্ঠান চালুর উদ্যোগ নিয়েছে এসইসি।
এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বিনিয়োগকারীদের সঠিক দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্য পেশাদার পরামর্শ প্রতিষ্ঠান চালু করা প্রয়োজন বলে কমিশন মনে করছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করতে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অগ্রাধিকারভিত্তিতে পরামর্শ প্রতিষ্ঠান সংক্রানত্ম নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে।
মূল্য পর্যালোচনা কমিটি আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে আসার জন্য নতুন কোম্পানির প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের পাশাপাশি স্থির মূল্য পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছিল খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের নেতৃত্বে গঠিত পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটি। এর ভিত্তিতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কমিটি পুনর্গঠনের এক মাসের মধ্যে স্বল্পমেয়াদে যেসব পদৰেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছিলেন তারমধ্যে মূল্য পর্যালোচনা কমিটি গঠনের বিষয়টিও ছিল।
পুনর্গঠনের প্রায় আড়াই মাস পর মঙ্গলবার ৫ সদস্যের শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য পর্যালোচনা কমিটি গঠনের সিদ্ধানত্ম নিয়েছে এসইসি। কমিটির সদস্যরা হলেন_ আইসিএবির সভাপতি, আইসিএমএবির সভাপতি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অথবা হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান। তবে নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরা ইচ্ছা করলে তার কোন প্রতিনিধিকে এই কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করতে পারবেন।
সভায় মূল্য পর্যালোচনা কমিটি গঠনের পাশাপাশি এর কার্যপরিধিও নির্দিষ্ট করা হয়েছে। কমিশনের পৰ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির পর এই কমিটি তাদের কাজ শুরু করবে।
পাঞ্চিং এরোর কমিটি ॥ কম্পিউটারের মাধ্যমে শেয়ারের ক্রয়-বিক্রয়াদেশ প্রদান করতে গিয়ে অনেক সময় ব্রোকারেজ হাউসের অনুমোদিত প্রতিনিধিরা ভুলবশত (পাঞ্চিং এরোর) কী-বোর্ডের এক বাটনের পরিবর্তে অন্য বাটনে চাপ দেন। এ ধরনের ভুলের কারণে শেয়ারের শর্টসেলসহ নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে থাকে। কিন্তু বর্তমান বিধি অনুযায়ী যে কোনভাবে শর্টসেল হলেই পরদিন ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন বন্ধ রাখতে হয়। এতে ওই হাউসের বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী দুর্ভোগে পড়েন। এছাড়া অনুমোদিত প্রতিনিধিদের অনিচ্ছাকৃত ভুল চিহ্নিত করার কোন ব্যবস্থা না থাকায় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।
এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্যই অনুমোদিত প্রতিনিধিদের ভুল পরীৰার উন্নততর নীতিমালা প্রণয়নের জন্য পাঞ্চিং এরোর কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এসইসি।
দুই শর্তে রাইট শেয়ারের অনুমোদন পেল ইউনাইটেড এয়ার
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বাংলাদেশ লিমিটেডকে রাইট শেয়ার ছেড়ে পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এই কোম্পানির রাইট শেয়ারের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। তবে রাইট ইস্যুর জন্য সংশিস্নষ্ট বিধিমালার সঙ্গে দু'টি বিশেষ শর্ত বেঁধে দিয়েছে এসইসি।
ইউনাইটেড এয়ার মোট ২১ কোটি রাইট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে ৩১৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা ১:১ হারে (১টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে ১টি) রাইট শেয়ার পাবেন। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি রাইট শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে ৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ ১৫ টাকা নেয়া হবে।
সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (রাইট ইসু্য) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী রাইট শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন পেলেও বিশেষ ৰমতাবলে কোম্পানিটির প্রতি শর্ত আরোপ করেছে এইসসি। এর আগে কোম্পানিটি ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ রাইট শেয়ারের মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। গত সপ্তাহে পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রিমিয়াম কমিয়ে ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। রাইট শেয়ারের টাকা জমা নেয়ার আগেই বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) করে এই সিদ্ধানত্ম অনুমোদন করিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে এসইসি। এছাড়া রাইট শেয়ারের মাধ্যমে সংগৃহিত অর্থ প্রসত্মাবপত্রে (অফার ডকুমেন্টে) ঘোষিত উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোন খাতে ব্যবহার না করার শর্ত দিয়েছে এসইসি।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-07-27&ni=66079
বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত
কমিশন সভায় বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণের সিদ্ধান্ত অনুমোদন
প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তবে বিধিমালা সংশোধনের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই এ বিষয়ে শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন পৰের মতামত গ্রহণ করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সূত্র জানায়, কমিশন পুনর্গঠনের আগে প্রণীত খসড়াকে ভিত্তি করেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। ওই খসড়ায় শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ও প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছিল। এৰেত্রে লেনদেন শুরুর আগে কোন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পি/ই) অনুপাত ১৫ এর বেশি হতে পারবে না। পাশাপাশি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কোম্পানির শেয়ারপ্রতি এনএভির পাঁচ গুণের নিচে থাকতে হবে। তবে উদ্যোক্তাদের জন্য শেয়ারের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নির্দেশক মূল্য এনএভির চেয়ে বেশি নির্ধারণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
কমিশনের আগের প্রস্তাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। দর প্রস্তাব প্রক্রিয়ার সময়সীমা তিন দিনের পরিবর্তে দু'দিন করার কথা বলা হয়। দর প্রস্তাবের মাধ্যমে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের দু'দিনের মধ্যে আইপিও বিবরণী (প্রসপেক্টাস) এসইসিতে জমা এবং ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরম্নর বাধ্যবাধকতা আরোপ করারও প্রসত্মাব করেছিল এসইসি। বর্তমানে দর প্রসত্মাবের পর ২৫ দিনের মধ্যে আইপিওর টাকা জমা নিতে হয়।
আগের খসড়া অনুযায়ী নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে রোড শো আয়োজনের কমপৰে ৫ দিন আগে কোম্পানির খসড়া বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) ছাপানো কপি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোন প্রসত্মাব করা যাবে না। কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কোম্পানির সঙ্গে সংশিস্নষ্ট কোন ব্যক্তি থাকতে পারবেন না।
উলেস্নখ্য, দীর্ঘদিন পরীৰা-নিরীৰার পর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে এই পদ্ধতি চালু করার জন্য গত বছরের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লৰ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইসু্য) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালু হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরম্ন হয়।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অংশ হিসেবে দর প্রসত্মাবের (বিডিং) মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার (লক ইন) মেয়াদ খুবই কম হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দর কমে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রসত্ম হন। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যনত্ম অনুমোদন পাওয়া সব কোম্পানিই লেনদেন শুরম্নর আগে থেকেই অতি মূল্যায়িত হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির ৰেত্রে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হলে এসইসি তা কাটছাঁট করতে পারে। কিন্তু বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সুযোগ নেই। আইনের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের প্রেৰাপটে গত ২২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে বলা হয়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার আগেই শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এর ফলে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানানত্মরিত হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতি মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হওয়ায় শেয়ারবাজারে বর্তমান অর্থ সঙ্কট বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার প্রসত্মাব করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রসত্মাবে সম্মতি প্রকাশ করে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন। এর ভিত্তিতে এসইসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়।
পরে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের লৰ্যে পাবলিক ইসু্য বিধিমালা, ২০০৬-এর প্রসত্মাবিত সংশোধনের উদ্যোগ নেয় এসইসি। এ বিষয়ে মতামত গ্রহণের জন্য গত ২১ মার্চ দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএমবিএ এবং বিএপিএলসির সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি। ওই বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে সংশোধনীর একটি খসড়া উপস্থাপন করা হয়। ওই প্রসত্মাবের ওপর মতামত দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক সপ্তাহের সময় দেয়া হয়। পরে ২৮ মার্চ এসইসিতে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে চার প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন পেশ করার আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার পৰে মত প্রকাশ করা হয়। এ কারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারে এসইসির কার্যক্রম থেমে যায়।
কমিশন পুনর্গঠনের পর অন্যান্য আইন ও বিধির পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের কাজ শুরম্ন হয়। এই পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণে পূর্বের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য মূল্য নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা নিয়ে এই সংশোধনীর খসড়া চূড়ানত্ম করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-07-27&ni=66080
প্রাথমিক শেয়ারের মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। তবে বিধিমালা সংশোধনের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগেই এ বিষয়ে শেয়ারবাজার সংশিস্নষ্ট বিভিন্ন পৰের মতামত গ্রহণ করা হবে। গতকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ সাইফুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
সূত্র জানায়, কমিশন পুনর্গঠনের আগে প্রণীত খসড়াকে ভিত্তি করেই বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। ওই খসড়ায় শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ও প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) বিবেচনায় নিয়ে শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছিল। এৰেত্রে লেনদেন শুরুর আগে কোন কোম্পানির শেয়ারের মূল্য ও আয়ের (পি/ই) অনুপাত ১৫ এর বেশি হতে পারবে না। পাশাপাশি শেয়ারের নির্দেশক মূল্য কোম্পানির শেয়ারপ্রতি এনএভির পাঁচ গুণের নিচে থাকতে হবে। তবে উদ্যোক্তাদের জন্য শেয়ারের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নির্দেশক মূল্য এনএভির চেয়ে বেশি নির্ধারণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
কমিশনের আগের প্রস্তাবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের দর প্রসত্মাব (বিডিং) প্রক্রিয়ার মধ্যে বরাদ্দ শেয়ার বিক্রির নিষেধাজ্ঞা (লক ইন) ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। দর প্রস্তাব প্রক্রিয়ার সময়সীমা তিন দিনের পরিবর্তে দু'দিন করার কথা বলা হয়। দর প্রস্তাবের মাধ্যমে চূড়ানত্ম মূল্য নির্ধারণের দু'দিনের মধ্যে আইপিও বিবরণী (প্রসপেক্টাস) এসইসিতে জমা এবং ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরম্নর বাধ্যবাধকতা আরোপ করারও প্রসত্মাব করেছিল এসইসি। বর্তমানে দর প্রসত্মাবের পর ২৫ দিনের মধ্যে আইপিওর টাকা জমা নিতে হয়।
আগের খসড়া অনুযায়ী নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে রোড শো আয়োজনের কমপৰে ৫ দিন আগে কোম্পানির খসড়া বিবরণীর (প্রসপেক্টাস) ছাপানো কপি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কাছে পাঠাতে হবে। তবে এতে কোনভাবেই নির্দেশক মূল্যের কোন প্রসত্মাব করা যাবে না। কোম্পানির আর্থিক বিবরণী পর্যালোচনার জন্য আইসিএবি, আইসিএমএবি, দুই স্টক এঙ্চেঞ্জের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। তবে এতে কোম্পানির সঙ্গে সংশিস্নষ্ট কোন ব্যক্তি থাকতে পারবেন না।
উলেস্নখ্য, দীর্ঘদিন পরীৰা-নিরীৰার পর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য শেয়ারের প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণের লৰ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক আগে থেকেই সফলভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। দেশের পুঁজিবাজারে এই পদ্ধতি চালু করার জন্য গত বছরের ৯ মার্চ বিধিমালা জারি করে এসইসি। প্রচলিত পদ্ধতির নির্ধারিত মূল্যের (ফিঙ্ড প্রাইস) পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণের লৰ্যে ২০০৬ সালের সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (পাবলিক ইসু্য) আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি চালু হলেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি না থাকায় এটি প্রয়োগ করতে সময় লেগেছে এক বছর। ২০১০ সালের মার্চে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরম্ন হয়।
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অংশ হিসেবে দর প্রসত্মাবের (বিডিং) মাধ্যমে বরাদ্দ পাওয়া শেয়ার বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞার (লক ইন) মেয়াদ খুবই কম হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বেশি দরে শেয়ার বিক্রি করে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই শেয়ারের দর কমে যায়। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রসত্ম হন। বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে এ পর্যনত্ম অনুমোদন পাওয়া সব কোম্পানিই লেনদেন শুরম্নর আগে থেকেই অতি মূল্যায়িত হয়েছে।
সংশিস্নষ্ট বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্ধারিত মূল্য (ফিঙ্ড প্রাইস) পদ্ধতির ৰেত্রে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর মৌলভিত্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন হলে এসইসি তা কাটছাঁট করতে পারে। কিন্তু বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্টভাবে সেই সুযোগ নেই। আইনের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সংশিস্নষ্ট কোম্পানিগুলো প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের প্রেৰাপটে গত ২২ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে শেয়ারের অতি মূল্যায়নের বিষয়টি আলোচনায় আসে। বৈঠকে বলা হয়, বুকবিল্ডিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অনেক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আসার আগেই শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য নির্ধারণ করছে। এর ফলে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ স্থানানত্মরিত হয়ে যাচ্ছে। এই পদ্ধতি মূল্য নির্ধারণের পর প্রাথমিক গণপ্রসত্মাবের (আইপিও) মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হওয়ায় শেয়ারবাজারে বর্তমান অর্থ সঙ্কট বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার প্রসত্মাব করা হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই প্রসত্মাবে সম্মতি প্রকাশ করে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা না ফেরা পর্যনত্ম বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন। এর ভিত্তিতে এসইসি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়।
পরে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের লৰ্যে পাবলিক ইসু্য বিধিমালা, ২০০৬-এর প্রসত্মাবিত সংশোধনের উদ্যোগ নেয় এসইসি। এ বিষয়ে মতামত গ্রহণের জন্য গত ২১ মার্চ দুই স্টক এঙ্চেঞ্জ, বিএমবিএ এবং বিএপিএলসির সঙ্গে বৈঠক করে এসইসি। ওই বৈঠকে এসইসির পৰ থেকে সংশোধনীর একটি খসড়া উপস্থাপন করা হয়। ওই প্রসত্মাবের ওপর মতামত দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক সপ্তাহের সময় দেয়া হয়। পরে ২৮ মার্চ এসইসিতে আরেকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে চার প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে পুঁজিবাজার তদনত্ম কমিটির প্রতিবেদন পেশ করার আগে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার পৰে মত প্রকাশ করা হয়। এ কারণে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারে এসইসির কার্যক্রম থেমে যায়।
কমিশন পুনর্গঠনের পর অন্যান্য আইন ও বিধির পাশাপাশি বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধনের কাজ শুরম্ন হয়। এই পদ্ধতিতে শেয়ারের দর নির্ধারণে পূর্বের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য মূল্য নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা নিয়ে এই সংশোধনীর খসড়া চূড়ানত্ম করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-07-27&ni=66080
Comments
Post a Comment