ঋণ বিতরণের চেয়ে ব্যাংকগুলোর আমানত বাড়ছে। আমানত বৃদ্ধির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশ। আর ঋণ বিতরণ বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। পাশাপাশি ঋণ-আমানত অনুপাত (সিডিআর) নির্দেশিত মাত্রার চেয়েও অনেকটা কমে এসেছে। এর পরিমাণ হলো গড়ে ৭৯.৭১ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং ও নির্দেশনার কারণেই সিডিআর হ্রাস পেয়েছে। এতে ব্যাংকের ঝুঁকিও কমছে।
সূত্রে জানা গেছে, আমানত সংগ্রহের তুলনায় ঋণ বিতরণের হার কমছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক থেকে শুরু করে বেসরকারী এবং বিদেশী ব্যাংক মিলিয়ে ঋণ-আমানত হার (সিডিআর) গড়ে ৭৯.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যেটি এর আগে গড়ে ৯৫ শতাংশের ওপরে ছিল।
জানা গেছে, সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানত হারের চেয়ে বিতরণ অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছিল। যা সংশিস্নষ্ট ব্যাংক বা ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি করেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি মনিটরিং করে সিডিআর হ্রাস করার জন্য নির্দেশ দিয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়েছিল। ওই চিঠিতে উলেস্নখ করা হয়, ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য সিডিআর ৯০ শতাংশ এবং নন-ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য ৮৫ শতাংশ নামিয়ে আনতে বলা হয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশনা পর থেকেই ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে বিভিন্নভাবে তদবির শুরু করেন। কারণ তখন অনেক ব্যাংকই তারল্য সঙ্কট ছিল। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিবেচনা করেই সিডিআর হিসাবের ৰেত্রে কিছুটা শিথিল করে। এতে সিডিআর হিসাবের সময় নেট আন্তঃব্যাংকিং ওভারনাইট (কলমানি) ছাড়া মেয়াদী আমানতকে ব্যাংকের ডিপোজিট হিসেবে ধরা হবে। ফলে ব্যাংকগুলোর সিডিআর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ৩০ জুন পর্যনত্ম ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানতের হার ৭৯.৭১ শতাংশে দাঁড়ায়।
কিভাবে ঋণ_আমানত অনুপাত হ্রাস পেয়েছে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, তফসিলী ব্যাংকগুলোর সার্বিক কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা, দিকনির্দেশনা প্রদান করা এবং সর্বশেষ সিডিআর হিসাবের ৰেত্রে কিছুটা শিথিল করা হয়। এসব কারণেই মূলত ব্যাংকগুলোর সিডিআর গ্রথ হ্রাস পায়। এতে ব্যাংকের ঝুঁকিও কমে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গত ৩০ জুনের তথ্যমতে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের সিডিআর রয়েছে ৬৫.৫১ শতাংশ, অগ্রণী ব্যাংকের ৮১.৮৮ শতাংশ, জনতার ৭৬.৯৪ শতাংশ এবং রূপালী ব্যাংকের সিডিআর দাঁড়িয়েছে ৭৩.৮৭ শতাংশ। বেসরকারী ৩০টি ব্যাংকের গড়ে ঋণ-আমানতের হার ৮২.৯২ শতাংশ। বিদেশী ৯টি ব্যাংকের সিডিআর ৭৯.৬৮ শতাংশ। একই সঙ্গে সরকারী বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সিডিআর গড়ে ৮০.৩২ শতাংশ।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-07-14&ni=64906
সূত্রে জানা গেছে, আমানত সংগ্রহের তুলনায় ঋণ বিতরণের হার কমছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক থেকে শুরু করে বেসরকারী এবং বিদেশী ব্যাংক মিলিয়ে ঋণ-আমানত হার (সিডিআর) গড়ে ৭৯.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যেটি এর আগে গড়ে ৯৫ শতাংশের ওপরে ছিল।
জানা গেছে, সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানত হারের চেয়ে বিতরণ অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছিল। যা সংশিস্নষ্ট ব্যাংক বা ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি বড় ধরনের ঝুঁকির সৃষ্টি করেছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি মনিটরিং করে সিডিআর হ্রাস করার জন্য নির্দেশ দিয়ে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দিয়েছিল। ওই চিঠিতে উলেস্নখ করা হয়, ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য সিডিআর ৯০ শতাংশ এবং নন-ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য ৮৫ শতাংশ নামিয়ে আনতে বলা হয়। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ নির্দেশনা পর থেকেই ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে বিভিন্নভাবে তদবির শুরু করেন। কারণ তখন অনেক ব্যাংকই তারল্য সঙ্কট ছিল। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিবেচনা করেই সিডিআর হিসাবের ৰেত্রে কিছুটা শিথিল করে। এতে সিডিআর হিসাবের সময় নেট আন্তঃব্যাংকিং ওভারনাইট (কলমানি) ছাড়া মেয়াদী আমানতকে ব্যাংকের ডিপোজিট হিসেবে ধরা হবে। ফলে ব্যাংকগুলোর সিডিআর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ৩০ জুন পর্যনত্ম ব্যাংকগুলোর ঋণ-আমানতের হার ৭৯.৭১ শতাংশে দাঁড়ায়।
কিভাবে ঋণ_আমানত অনুপাত হ্রাস পেয়েছে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশিস্নষ্ট বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক এসকে সুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, তফসিলী ব্যাংকগুলোর সার্বিক কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা, দিকনির্দেশনা প্রদান করা এবং সর্বশেষ সিডিআর হিসাবের ৰেত্রে কিছুটা শিথিল করা হয়। এসব কারণেই মূলত ব্যাংকগুলোর সিডিআর গ্রথ হ্রাস পায়। এতে ব্যাংকের ঝুঁকিও কমে এসেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গত ৩০ জুনের তথ্যমতে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের সিডিআর রয়েছে ৬৫.৫১ শতাংশ, অগ্রণী ব্যাংকের ৮১.৮৮ শতাংশ, জনতার ৭৬.৯৪ শতাংশ এবং রূপালী ব্যাংকের সিডিআর দাঁড়িয়েছে ৭৩.৮৭ শতাংশ। বেসরকারী ৩০টি ব্যাংকের গড়ে ঋণ-আমানতের হার ৮২.৯২ শতাংশ। বিদেশী ৯টি ব্যাংকের সিডিআর ৭৯.৬৮ শতাংশ। একই সঙ্গে সরকারী বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সিডিআর গড়ে ৮০.৩২ শতাংশ।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-07-14&ni=64906
Comments
Post a Comment