সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আইন ভঙ্গ করে কোম্পানি পরিচালকদের মধ্যে সুবিধাভোগী ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। বাজারের পতনে এসব কোম্পানির পরিচালকরা গোপনে শেয়ার বিক্রি করে দেয়। আবার স্বাভাবিকতা ফেরায় মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে শেয়ার ক্রয় করার তথ্যও বেরিয়ে আসছে। সম্প্রতি এসইসির মনিটরিং টিমের কাছে এসব তথ্য ধরা পড়ছে।
জানা যায, সম্প্রতি ম্যাকসন্স স্পিনিং কোম্পানির একজন স্বতন্ত্র পরিচালক ইনসাইডার ট্রেডিং করে ও তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক না জানিয়েই শেয়ার বিক্রি করে। এসইসি বিষয়টি গণমাধ্যমের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে কোম্পানি দুটিকে জরিমানা করে।
তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক হাসনাইন হারুনের বিরুদ্ধে কোনো ঘোষণা ছাড়াই উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রির প্রমাণ পায় এসইসি। এ শেয়ার বিক্রির জন্য মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে বিও হিসাব খোলারও তথ্য পেয়েছে কমিশন। সামগ্রিক বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তদন্ত কাজ শেষ করে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক হাসনাইন হারুন গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত সময়কালে বিপুলসংখ্যক শেয়ার বিক্রি করেন। স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কোম্পানির উদ্যোক্তা শেয়ার হোল্ডারের যে কোনো পরিমাণ শেয়ার ক্রয়, বিক্রয় কিংবা হস্তান্তরের জন্য নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৪ কার্যদিবস আগে স্টক এক্সচেঞ্জে লিখিতভাবে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। হাসনাইন হারুন তার শেয়ার বিক্রির আগে এ ধরনের কোনো ঘোষণা দেননি। শুধু তাই নয়, ঘোষণা দিয়ে শেয়ার বিক্রির বাধ্যবাধকতা এড়াতে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিও হিসাব খুলেছেন।
এদিকে ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস লিমিটেডের অপসারিত স্বতন্ত্র পরিচালক মঈনউদ্দীন চৌধুরীর স্ত্রী জেবুন নাহার মঈনকে সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ বিধিমালা, ১৯৯৫ ভঙ্গ করে বিপুল সংখ্যক শেয়ার লেনদেনের কারণে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা, ১৯৯৫ এর ৩(১) ধারা অনুযায়ী মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহের ওপর বাধা নিষেধ কোম্পানির সংঘবিধি এবং কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্য কোনো বিধি-বিধানের প্রয়োজন ছাড়া কোম্পানি থেকে সুবিধাভোগী কোনো ব্যক্তি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য অন্য কারো কাছে সরবরাহ করতে পারে না। একই বিধিমালার ৪(১) ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি নিজে বা অন্য কারো মাধ্যমে সুবিধাভোগী ব্যবসা করতে পারবে না। পাশাপাশি সুবিধাভোগীরা অন্য কাউকে ব্যবসার বিষয়ে কোনো ব্যক্তিগত পরামর্শ দিতে পারবে না।
বিধিমালার ৪ (২) ধারা অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভূক্ত কোম্পানির কোনো স্পন্সর, পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী, নিরীক্ষক বা নিরীক্ষাকার্যে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, পরামর্শক বা আইন উপদেষ্টা, কিংবা কোনো সুবিধাভোগী মালিক কোম্পানির বার্ষিক হিসাব সমাপ্তির তারিখ থেকে পরিচালনা পর্ষদে নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত সময়কালে ওই কোম্পানির শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় কিংবা অন্য কোনো প্রকারে হস্তান্তর বা গ্রহণ করিতে পারবেন না।
http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=149&cat_id=1&menu_id=3&news_type_id=1&index=6
জানা যায, সম্প্রতি ম্যাকসন্স স্পিনিং কোম্পানির একজন স্বতন্ত্র পরিচালক ইনসাইডার ট্রেডিং করে ও তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক না জানিয়েই শেয়ার বিক্রি করে। এসইসি বিষয়টি গণমাধ্যমের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে কোম্পানি দুটিকে জরিমানা করে।
তাকাফুল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক হাসনাইন হারুনের বিরুদ্ধে কোনো ঘোষণা ছাড়াই উদ্যোক্তা শেয়ার বিক্রির প্রমাণ পায় এসইসি। এ শেয়ার বিক্রির জন্য মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে বিও হিসাব খোলারও তথ্য পেয়েছে কমিশন। সামগ্রিক বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তদন্ত কাজ শেষ করে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক হাসনাইন হারুন গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত সময়কালে বিপুলসংখ্যক শেয়ার বিক্রি করেন। স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্তি বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কোম্পানির উদ্যোক্তা শেয়ার হোল্ডারের যে কোনো পরিমাণ শেয়ার ক্রয়, বিক্রয় কিংবা হস্তান্তরের জন্য নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৪ কার্যদিবস আগে স্টক এক্সচেঞ্জে লিখিতভাবে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। হাসনাইন হারুন তার শেয়ার বিক্রির আগে এ ধরনের কোনো ঘোষণা দেননি। শুধু তাই নয়, ঘোষণা দিয়ে শেয়ার বিক্রির বাধ্যবাধকতা এড়াতে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিও হিসাব খুলেছেন।
এদিকে ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস লিমিটেডের অপসারিত স্বতন্ত্র পরিচালক মঈনউদ্দীন চৌধুরীর স্ত্রী জেবুন নাহার মঈনকে সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ বিধিমালা, ১৯৯৫ ভঙ্গ করে বিপুল সংখ্যক শেয়ার লেনদেনের কারণে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (সুবিধাভোগী ব্যবসা নিষিদ্ধকরণ) বিধিমালা, ১৯৯৫ এর ৩(১) ধারা অনুযায়ী মূল্য সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহের ওপর বাধা নিষেধ কোম্পানির সংঘবিধি এবং কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্য কোনো বিধি-বিধানের প্রয়োজন ছাড়া কোম্পানি থেকে সুবিধাভোগী কোনো ব্যক্তি মূল্য সংবেদনশীল তথ্য অন্য কারো কাছে সরবরাহ করতে পারে না। একই বিধিমালার ৪(১) ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি নিজে বা অন্য কারো মাধ্যমে সুবিধাভোগী ব্যবসা করতে পারবে না। পাশাপাশি সুবিধাভোগীরা অন্য কাউকে ব্যবসার বিষয়ে কোনো ব্যক্তিগত পরামর্শ দিতে পারবে না।
বিধিমালার ৪ (২) ধারা অনুযায়ী স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভূক্ত কোম্পানির কোনো স্পন্সর, পরিচালক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী, নিরীক্ষক বা নিরীক্ষাকার্যে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, পরামর্শক বা আইন উপদেষ্টা, কিংবা কোনো সুবিধাভোগী মালিক কোম্পানির বার্ষিক হিসাব সমাপ্তির তারিখ থেকে পরিচালনা পর্ষদে নিরীক্ষিত হিসাব অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত সময়কালে ওই কোম্পানির শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় কিংবা অন্য কোনো প্রকারে হস্তান্তর বা গ্রহণ করিতে পারবেন না।
http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=149&cat_id=1&menu_id=3&news_type_id=1&index=6
Comments
Post a Comment