পুঁজিবাজারে ৩০০ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে ১০ কোম্পানি। বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারে বিলম্ব হওয়ায় ফিক্সড প্রাইসে আবেদন করা এ কোম্পানিগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনুমোদন দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
কোম্পানিগুলো হলো- সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল), এসটিএস হোল্ডিংস (অ্যাপোলো হসপিটাল), জিবিবি পাওয়ার, রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড।
ইতোমধ্যে এ কোম্পানিগুলোর যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ কোম্পানিগুলোকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ওইদিন আইনি সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত এ পদ্ধতি স্থগিত করে দেয়া হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দুটি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে শেয়ার কিনে নেয়ার শর্ত আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে এ পদ্ধতিতে আবেদন করা অনেকগুলো কোম্পানির বাজারে আসার প্রক্রিয়া ঝুলে যায়। এরপর থেকে চলতি বছরে নতুন কোনো কোম্পানি বাজারে আসেনি। ইতোমধ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু এ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত এবং আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে পুনরায় দর নির্ধারণ করে সংশোধিত পদ্ধতির আওতায় আনা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এদিকে বাজার স্বাভাবিক করতে নতুন আইপিওর প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে এসইসি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে আইপিও অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ ব্যাপারে এসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন যায়যায়দিনকে বলেন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। তবে সংশোধিত পদ্ধতিতে পূর্বের আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে পুনরায় দর নির্ধারণ করতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিতে নতুন কোম্পানি বাজারে আসা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। বাজার স্বাভাবিক করার জন্য জরুরিভাবে নতুন আইপিও আনা প্রয়োজন। এজন্য ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইপিও অনুমোদন দেব।
আবেদন করা কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ ১৪ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর প্রতিটি শেয়ারের ফেসভ্যালু ধরা হয়েছে ১০ টাকা। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা ও প্রি আইপিও পরিশোধিত মূলধন ২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। বাজারে ৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার আরপিও (রিপিট আইপিও) নিয়ে আসছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। এ কোম্পানির অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা ও ইস্যু প্রাইস হবে ১ হাজার টাকা। কোম্পানি ৬২ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ৪০০ কোটি টাকা ও প্রিআইপিও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ২৮৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। সিডিবিএল ৪০ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এ কোম্পানির অভিহিত মূল্য ১০ টাকা এবং ইস্যু প্রাইস হবে ৬০ টাকা। কোম্পানিটি ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ২০০ কোটি টাকা ও প্রিআইপিও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৬৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এসটিএস হোল্ডিংস ৩০ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ৩ কোটি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে ৩ কোটি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ৩০০ কোটি টাকা ও প্রি আইপিও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ১৫০ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড। জিবিবি পাওয়ার ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এ কোম্পানি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ৫ লাখ শেয়ার ছাড়বে। প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু প্রাইস হবে ৭০ টাকা। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৩০ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। রংপুর ডেইরি ১৬ কোটি ৩৪ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার ছাড়বে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ১৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ইস্যু প্রাইস হবে ২৫ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। মেঘনা ইস্যুরেন্স ৯ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ট্রিপল এ কন্সালটেন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল লিমিটেড। পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ১৪৫ টাকা প্রিমিয়াম নিয়ে ইস্যু প্রাইস হবে ২৪৫ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইউনিয়ন ক্যাপিটেল লিমিটেড। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ৯ কোটি টাকার শেয়ার নিয়ে আসছে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৫০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ইস্যু প্রাইস হবে ১৫০ টাকা। এর ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। জনতা ব্যাংক ১০০ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৯০০ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=137&cat_id=1&menu_id=3&news_type_id=1&index=0
কোম্পানিগুলো হলো- সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল), এসটিএস হোল্ডিংস (অ্যাপোলো হসপিটাল), জিবিবি পাওয়ার, রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড।
ইতোমধ্যে এ কোম্পানিগুলোর যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ কোম্পানিগুলোকে আইপিও অনুমোদন দেয়া হবে বলে এসইসি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজার পরিস্থিতি নিয়ে গত ২২ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ডাকা বৈঠকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির অপব্যবহার করে পুঁজিবাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ তুলে নেয়ার প্রবণতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের নির্ধারিত মূল্যকে কোম্পানির মৌলভিত্তির তুলনায় অস্বাভাবিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। ওইদিন আইনি সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত এ পদ্ধতি স্থগিত করে দেয়া হয়। তবে মবিল যমুনা ও এমআই সিমেন্টের আইপিও আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ায় এ দুটি কোম্পানির সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে শেয়ার কিনে নেয়ার শর্ত আরোপের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে এ পদ্ধতিতে আবেদন করা অনেকগুলো কোম্পানির বাজারে আসার প্রক্রিয়া ঝুলে যায়। এরপর থেকে চলতি বছরে নতুন কোনো কোম্পানি বাজারে আসেনি। ইতোমধ্যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু এ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত এবং আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে পুনরায় দর নির্ধারণ করে সংশোধিত পদ্ধতির আওতায় আনা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এদিকে বাজার স্বাভাবিক করতে নতুন আইপিওর প্রয়োজনীয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে এসইসি ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে আইপিও অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এ ব্যাপারে এসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন যায়যায়দিনকে বলেন, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সংস্কার কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। তবে সংশোধিত পদ্ধতিতে পূর্বের আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে পুনরায় দর নির্ধারণ করতে হতে পারে। সে ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিতে নতুন কোম্পানি বাজারে আসা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। বাজার স্বাভাবিক করার জন্য জরুরিভাবে নতুন আইপিও আনা প্রয়োজন। এজন্য ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে আবেদন করা কোম্পানিগুলোকে আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইপিও অনুমোদন দেব।
আবেদন করা কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ ১৪ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর প্রতিটি শেয়ারের ফেসভ্যালু ধরা হয়েছে ১০ টাকা। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা ও প্রি আইপিও পরিশোধিত মূলধন ২৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। বাজারে ৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকার আরপিও (রিপিট আইপিও) নিয়ে আসছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। এ কোম্পানির অভিহিত মূল্য ১০০ টাকা ও ইস্যু প্রাইস হবে ১ হাজার টাকা। কোম্পানি ৬২ লাখ ৭৪ হাজার শেয়ার ছেড়ে ৬২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা সংগ্রহ করবে। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ৪০০ কোটি টাকা ও প্রিআইপিও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ২৮৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। সিডিবিএল ৪০ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এ কোম্পানির অভিহিত মূল্য ১০ টাকা এবং ইস্যু প্রাইস হবে ৬০ টাকা। কোম্পানিটি ৪ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৪০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ২০০ কোটি টাকা ও প্রিআইপিও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৬৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ব্র্যাক ইপিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এসটিএস হোল্ডিংস ৩০ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ৩ কোটি, মিউচ্যুয়াল ফান্ড থেকে ৩ কোটি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২৪ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ৩০০ কোটি টাকা ও প্রি আইপিও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ১৫০ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড। জিবিবি পাওয়ার ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এ কোম্পানি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ২ কোটি ৫ লাখ শেয়ার ছাড়বে। প্রতিটি শেয়ারের ইস্যু প্রাইস হবে ৭০ টাকা। এ কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন রয়েছে ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন রয়েছে ৩০ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। রংপুর ডেইরি ১৬ কোটি ৩৪ লাখ ১৪ হাজার টাকার শেয়ার ছাড়বে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ১৫ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ইস্যু প্রাইস হবে ২৫ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড। মেঘনা ইস্যুরেন্স ৯ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর প্রতিটি শেয়ারের মূল্য হবে ১০০ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ট্রিপল এ কন্সালটেন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল লিমিটেড। পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ১৪৫ টাকা প্রিমিয়াম নিয়ে ইস্যু প্রাইস হবে ২৪৫ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে ইউনিয়ন ক্যাপিটেল লিমিটেড। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ৯ কোটি টাকার শেয়ার নিয়ে আসছে। ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে ৫০ টাকা প্রিমিয়াম ধরে ইস্যু প্রাইস হবে ১৫০ টাকা। এর ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। জনতা ব্যাংক ১০০ কোটি টাকার আইপিও নিয়ে আসছে। এর ১০০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারে প্রিমিয়াম ধরা হয়েছে ৯০০ টাকা। এ কোম্পানির ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।
http://www.jjdin.com/?view=details&type=single&pub_no=137&cat_id=1&menu_id=3&news_type_id=1&index=0
Comments
Post a Comment