আসন্ন নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধে মূল্যস্ফীতি হার কমিয়ে আনতে অভ্যন্তরীণ ঋণ প্রবাহের লাগাম টেনে ধরতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়মতান্ত্রিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি হ্রাসে ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রমে রেগুলেটরি নিদের্শনা লঙ্ঘনের প্রবণতা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে পূর্বের তুলনায় কঠোর হবে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক নীতি নির্ধারণী বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে অভ্যন্তরীণ ঋণের উচ্চস্ফীতি কমিয়ে আনতে পারলে মূল্যস্ফীতি সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা সম্ভব। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগামী মুদ্রানীতিতে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।
উল্লেখ্য, পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গত মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ২০।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক এরইমধ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের ঋণের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির প্রকৃত খাতের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মাত্রায় নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়ে দিয়েছে, অভ্যন্তরীণ ঋণের স্ফীতি হ্রাস ও টাকার বিনিময় হারের ওপর চাপ কমিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সুদহার এবং এসএলআর ও সিআরআর এর বর্তমান বিদ্যমান হার খুব শিগগিরই কমিয়ে আনার সম্ভাবনা নেই। তবে অভ্যন্তরীণ ঋণের রাশ টেনে ধরার ফলে উৎপাদনমুখী কর্মকা- যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রয়োজনীয় তারল্য যোগান দেওয়ার পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ প্রবাহ নিরুৎসাহিত করতে ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক নীতি নির্ধারণী বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে অভ্যন্তরীণ ঋণের উচ্চস্ফীতি কমিয়ে আনতে পারলে মূল্যস্ফীতি সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনা সম্ভব। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগামী মুদ্রানীতিতে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।
উল্লেখ্য, পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গত মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ২০।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক এরইমধ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের ঋণের প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির প্রকৃত খাতের প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মাত্রায় নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়ে দিয়েছে, অভ্যন্তরীণ ঋণের স্ফীতি হ্রাস ও টাকার বিনিময় হারের ওপর চাপ কমিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি সুদহার এবং এসএলআর ও সিআরআর এর বর্তমান বিদ্যমান হার খুব শিগগিরই কমিয়ে আনার সম্ভাবনা নেই। তবে অভ্যন্তরীণ ঋণের রাশ টেনে ধরার ফলে উৎপাদনমুখী কর্মকা- যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রয়োজনীয় তারল্য যোগান দেওয়ার পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ প্রবাহ নিরুৎসাহিত করতে ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে।
Comments
Post a Comment