সরাসরি তালিকাভুক্তির (ডাইরেক্ট লিস্টিং) পরিবর্তে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সরকারী কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনা হবে। সরাসরি তালিকাভুক্তি নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির উন্নয়ন কাজে ব্যয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। সরকারী কোম্পানিগুলোর ইসু্য ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিও (আইসিবিসিএমএল) একই মতামত দিয়েছে। সরকারী কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া চূড়ানত্ম করতে শীঘ্রই দুই প্রতিষ্ঠানের পৰ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হবে বলে সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, 'সরাসরি তালিকাভুক্তি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এজন্য সরকারী কোম্পানিগুলোকে এ আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনার চেষ্টা করছি। এৰেত্রে সরকারের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরাও কীভাবে লাভবান হতে পারবে_ তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোন কোম্পানি পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হলে ওই কোম্পানির নিজস্ব তহবিলে এর কোন ইতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির উদ্যোক্তারা তাদের একাংশ শেয়ার বিক্রি করেন। প্রিমিয়ামের টাকা পুরোটাই উদ্যোক্তাদের পকেটে চলে যায়। ফলে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ থেকে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা কোন সুফল পান না। এ কারণেই সরাসরি তালিকাভুক্তি নিয়ে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচনার মুখে ইতোমধ্যেই বেসরকারী কোম্পানির জন্য সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, সরকারী কোম্পানিগুলো সরাসরি তালিকাভুক্ত হলে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির উন্নয়নে ব্যবহার না করে পুরোটাই স্বত্বাধিকারী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কিংবা সরাসরি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে চলে যাবে। কিন্তু আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে পুরো অর্থই কোম্পানির তহবিলে জমা হবে। এই অর্থ ব্যয়ে কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণ, নতুন প্রকল্প বাসত্মবায়ন কিংবা যে কোন ধরনের উন্নয়ন কাজ করা যাবে। এই বিবেচনা থেকেই সরাসরি তালিকাভুক্ত না করে আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার বিক্রির সিদ্ধানত্ম নেয়া হলে নির্ধারিত কোম্পানিগুলোকে সরাসরি তালিকাভুক্ত করতে হবে।
জানা গেছে, যেসব কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে_ সেগুলোর জন্য আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার ছাড়াই শ্রেয় হবে বলে মনে করছেন নীতি-নির্ধারকরা। তবে এই মুহূর্তে যেসব কোম্পানির বাড়তি তহবিল প্রয়োজন নেই সেগুলোকে সরাসরি তালিকাভুক্ত করে সরকারের রাজস্ব ব্যয়ে অর্থ যোগান দেয়া যেতে পারে। এ কারণে এসইসি ও আইসিবি আইপিওর পৰে মত দিলেও কোন কোম্পানিকে কী পদ্ধতিতে বাজারে আনা হবে সেই সিদ্ধানত্মের ভার সরকারের উপরই ছেড়ে দেয়া হবে।
এ বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান বলেন, 'যেসব সরকারী কোম্পানির নতুন প্রকল্প বাসত্মবায়ন বা কর্মকা- সম্প্রসারণের জন্য তহবিলের প্রয়োজন রয়েছে সেগুলো আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আসতে পারে। তবে কোন কোন কোম্পানির ৰেত্রে সরকার সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতে পারে। এ বিষয়ে আমরা আলাদা আলাদাভাবে (কেস টু কেস) কাজ করছি। সরকার এ ব্যাপারে চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম নেবে।
উলেস্নখ্য, সরকারী কোম্পানিকে সহজভাবে পুঁজিবাজারে আনতে ২০০২ সালে সরাসরি তালিকাভুক্তির ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ২০০৬ সালে এ বিষয়ে একটি বিধিমালা জারি করা হয়। ওই বছর সরাসরি তালিকাভুক্ত হলে সরকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (ডেসকো) ৬৪ কোটি ৭২ লাখ ৬ হাজার ৪৩৭ টাকা এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) ১৫৫ কোটি ৬৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৮০ টাকা সংগ্রহ করে। একই প্রক্রিয়ায় ২০০৭ সালে যমুনা অয়েল ৪৪৩ কোটি ৬৬ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৯ টাকা ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম ৩৮৯ কোটি ৯৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬০ টাকা সংগ্রহ করে। ২০০৮ সালে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ৯৭৪ কোটি ৮২ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৬ টাকা সংগ্রহ করে।
জানা গেছে, ২০০৮ সালে এসে সরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকেও সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেয়া শুরম্ন হয়। ওই বছর এসিআই ফমর্ুলেশন সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে ১৪৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪১ হাজার ২৭৫ টাকা এবং শাইনপুকুর সিরামিকস ২৮৬ কোটি ১১ লাখ ৬২ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। ২০০৯ সালে নাভানা সিএনজি ৩৭৬ কোটি ৬৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। তবে এই প্রক্রিয়ায় শেয়ারের অস্বাভাবিক দর নির্ধারণ করে উদ্যোক্তাদের পকেটে বিপুল পরিমাণ টাকা চলে যাওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর প্রেৰিতে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) প্রসত্মাব অনুযায়ী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তির সুযোগ বন্ধ করে ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সরাসরি তালিকাভুক্তি বিধি সংশোধন করে এসইসি। ওই বিধিতে সরাসরি তালিকাভুক্তির যোগ্য 'কোম্পানি' বলতে শুধুমাত্র 'শতভাগ সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানি'কে চিহ্নিত করা হয়।
কিন্তু বিধি সংশোধনের আগে আবেদন করায় অর্থমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী ওশেন কন্টেইনার ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানিকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেয়া হয়। এই পদ্ধতিতে ওশেন কন্টেইনার ১৭২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ও খুলনা পাওয়ার ১ হাজার ১২ কোটি ৭১ লাখ ৯০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। বিষয়টি নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে বড় ধরনের সমালোচনা চলছে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-06-23&ni=62627
এসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন বলেন, 'সরাসরি তালিকাভুক্তি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এজন্য সরকারী কোম্পানিগুলোকে এ আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনার চেষ্টা করছি। এৰেত্রে সরকারের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীরাও কীভাবে লাভবান হতে পারবে_ তা নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব।
সংশিস্নষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোন কোম্পানি পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্ত হলে ওই কোম্পানির নিজস্ব তহবিলে এর কোন ইতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তালিকাভুক্তির পর কোম্পানির উদ্যোক্তারা তাদের একাংশ শেয়ার বিক্রি করেন। প্রিমিয়ামের টাকা পুরোটাই উদ্যোক্তাদের পকেটে চলে যায়। ফলে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ থেকে সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা কোন সুফল পান না। এ কারণেই সরাসরি তালিকাভুক্তি নিয়ে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচনার মুখে ইতোমধ্যেই বেসরকারী কোম্পানির জন্য সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, সরকারী কোম্পানিগুলো সরাসরি তালিকাভুক্ত হলে শেয়ারবাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ কোম্পানির উন্নয়নে ব্যবহার না করে পুরোটাই স্বত্বাধিকারী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান কিংবা সরাসরি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে চলে যাবে। কিন্তু আইপিওর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে পুরো অর্থই কোম্পানির তহবিলে জমা হবে। এই অর্থ ব্যয়ে কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণ, নতুন প্রকল্প বাসত্মবায়ন কিংবা যে কোন ধরনের উন্নয়ন কাজ করা যাবে। এই বিবেচনা থেকেই সরাসরি তালিকাভুক্ত না করে আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার বিক্রির সিদ্ধানত্ম নেয়া হলে নির্ধারিত কোম্পানিগুলোকে সরাসরি তালিকাভুক্ত করতে হবে।
জানা গেছে, যেসব কোম্পানির কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রয়োজন রয়েছে_ সেগুলোর জন্য আইপিওর মাধ্যমে শেয়ার ছাড়াই শ্রেয় হবে বলে মনে করছেন নীতি-নির্ধারকরা। তবে এই মুহূর্তে যেসব কোম্পানির বাড়তি তহবিল প্রয়োজন নেই সেগুলোকে সরাসরি তালিকাভুক্ত করে সরকারের রাজস্ব ব্যয়ে অর্থ যোগান দেয়া যেতে পারে। এ কারণে এসইসি ও আইসিবি আইপিওর পৰে মত দিলেও কোন কোম্পানিকে কী পদ্ধতিতে বাজারে আনা হবে সেই সিদ্ধানত্মের ভার সরকারের উপরই ছেড়ে দেয়া হবে।
এ বিষয়ে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান বলেন, 'যেসব সরকারী কোম্পানির নতুন প্রকল্প বাসত্মবায়ন বা কর্মকা- সম্প্রসারণের জন্য তহবিলের প্রয়োজন রয়েছে সেগুলো আইপিওর মাধ্যমে বাজারে আসতে পারে। তবে কোন কোন কোম্পানির ৰেত্রে সরকার সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতে পারে। এ বিষয়ে আমরা আলাদা আলাদাভাবে (কেস টু কেস) কাজ করছি। সরকার এ ব্যাপারে চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম নেবে।
উলেস্নখ্য, সরকারী কোম্পানিকে সহজভাবে পুঁজিবাজারে আনতে ২০০২ সালে সরাসরি তালিকাভুক্তির ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ২০০৬ সালে এ বিষয়ে একটি বিধিমালা জারি করা হয়। ওই বছর সরাসরি তালিকাভুক্ত হলে সরকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি (ডেসকো) ৬৪ কোটি ৭২ লাখ ৬ হাজার ৪৩৭ টাকা এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) ১৫৫ কোটি ৬৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৮০ টাকা সংগ্রহ করে। একই প্রক্রিয়ায় ২০০৭ সালে যমুনা অয়েল ৪৪৩ কোটি ৬৬ লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৯ টাকা ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম ৩৮৯ কোটি ৯৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬০ টাকা সংগ্রহ করে। ২০০৮ সালে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ৯৭৪ কোটি ৮২ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৬ টাকা সংগ্রহ করে।
জানা গেছে, ২০০৮ সালে এসে সরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকেও সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেয়া শুরম্ন হয়। ওই বছর এসিআই ফমর্ুলেশন সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে ১৪৮ কোটি ৪৭ লাখ ৪১ হাজার ২৭৫ টাকা এবং শাইনপুকুর সিরামিকস ২৮৬ কোটি ১১ লাখ ৬২ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। ২০০৯ সালে নাভানা সিএনজি ৩৭৬ কোটি ৬৪ লাখ ৭৯ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। তবে এই প্রক্রিয়ায় শেয়ারের অস্বাভাবিক দর নির্ধারণ করে উদ্যোক্তাদের পকেটে বিপুল পরিমাণ টাকা চলে যাওয়ায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর প্রেৰিতে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের (ডিএসই) প্রসত্মাব অনুযায়ী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্তির সুযোগ বন্ধ করে ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সরাসরি তালিকাভুক্তি বিধি সংশোধন করে এসইসি। ওই বিধিতে সরাসরি তালিকাভুক্তির যোগ্য 'কোম্পানি' বলতে শুধুমাত্র 'শতভাগ সরকারী মালিকানাধীন কোম্পানি'কে চিহ্নিত করা হয়।
কিন্তু বিধি সংশোধনের আগে আবেদন করায় অর্থমন্ত্রণালয়ের সিদ্ধানত্ম অনুযায়ী ওশেন কন্টেইনার ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানিকে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ দেয়া হয়। এই পদ্ধতিতে ওশেন কন্টেইনার ১৭২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ও খুলনা পাওয়ার ১ হাজার ১২ কোটি ৭১ লাখ ৯০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে। বিষয়টি নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে বড় ধরনের সমালোচনা চলছে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-06-23&ni=62627
Comments
Post a Comment