বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিআন্তব্যাংক আমানতকে সিডিআর হিসাবে নিতে পারবে ব্যাংকগুলোআন্তব্যাংক নিট আমানতকে এখন থেকে ব্যাংকগুলো তাদের সিডিআরের সঙ্গে হিসাব করতে পারবে। এর ফলে কোন ব্যাংকের কাছে কত ঋণযোগ্য তহবিল আছে বা তার সিডিআর অনুপাত কত, তা সহজেই বোঝা যাবে। এ বিষয়টি জানিয়ে গত সোমবার সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীকে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল।
চিঠিতে বলা হয়েছে, 'ব্যাংকের ঋণযোগ্য তহবিল হিসাবায়ন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি থাকায় এ বিষয়টি স্পষ্টীকরণপূর্বক একটি অনুসরণীয় কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে ওই কাঠামো অনুসরণপূর্বক আপনাদের ব্যাংকের তহবিলের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। ঋণদানযোগ্য তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘোষিত উদ্দেশ্য অনুসারে ঋণের যথাযথ সদ্ব্যবহার এবং আমানতের তুলনায় ঋণের প্রবৃদ্ধি সাধারণত যাতে বেশি না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্যও আপনাদের পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে।' এতে আরো বলা হয়েছে, 'ব্যাংকের ঋণ-আমানত হার হিসাবায়নের জন্য আগের সব উপাদান অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি নিট আন্তব্যাংক আমানতের উদ্বৃত্ত অংশকে বিবেচনায় আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।'
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের ফলে কিছু ব্যাংকের ঋণযোগ্য তহবিলের পরিমাণ বাড়বে। নিট আন্তব্যাংক আমানত বলতে কলমানি ছাড়া অন্য ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের তুলনায় আর একটি ব্যাংককে দেওয়া ঋণের ব্যাবধানকে বুঝাবে। যেমন_'এ' ব্যাংক 'বি' ব্যাংক থেকে ২০০ কোটি টাকা ঋণ নিল আর 'এ' ব্যাংক অন্য ব্যাংককে ঋণ দিল ১০০ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক 'এ' ১০০ কোটি টাকা আন্তব্যাংক আমানত হিসেবে দেখাতে পারবে। একইভাবে এর বিপরীত হলে সে ক্ষেত্রে তার আমানত থেকে ওই পরিমাণ টাকা কম দেখিয়ে সিডিআর হিসাবায়ন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, এখন থেকে ব্যাংকগুলো ঋণ আমানত অনুপাত হিসাবায়নের ক্ষেত্রে আন্তব্যাংক ঋণের উদ্বৃত্ত আমানতকে হিসাব করতে পারবে।http://www.dailykalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=Tax&pub_no=566&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=3
চিঠিতে বলা হয়েছে, 'ব্যাংকের ঋণযোগ্য তহবিল হিসাবায়ন নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি থাকায় এ বিষয়টি স্পষ্টীকরণপূর্বক একটি অনুসরণীয় কাঠামো প্রস্তুত করা হয়েছে। সাপ্তাহিক ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে ওই কাঠামো অনুসরণপূর্বক আপনাদের ব্যাংকের তহবিলের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। ঋণদানযোগ্য তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘোষিত উদ্দেশ্য অনুসারে ঋণের যথাযথ সদ্ব্যবহার এবং আমানতের তুলনায় ঋণের প্রবৃদ্ধি সাধারণত যাতে বেশি না হয়, তা নিশ্চিত করার জন্যও আপনাদের পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে।' এতে আরো বলা হয়েছে, 'ব্যাংকের ঋণ-আমানত হার হিসাবায়নের জন্য আগের সব উপাদান অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি নিট আন্তব্যাংক আমানতের উদ্বৃত্ত অংশকে বিবেচনায় আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।'
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের ফলে কিছু ব্যাংকের ঋণযোগ্য তহবিলের পরিমাণ বাড়বে। নিট আন্তব্যাংক আমানত বলতে কলমানি ছাড়া অন্য ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের তুলনায় আর একটি ব্যাংককে দেওয়া ঋণের ব্যাবধানকে বুঝাবে। যেমন_'এ' ব্যাংক 'বি' ব্যাংক থেকে ২০০ কোটি টাকা ঋণ নিল আর 'এ' ব্যাংক অন্য ব্যাংককে ঋণ দিল ১০০ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক 'এ' ১০০ কোটি টাকা আন্তব্যাংক আমানত হিসেবে দেখাতে পারবে। একইভাবে এর বিপরীত হলে সে ক্ষেত্রে তার আমানত থেকে ওই পরিমাণ টাকা কম দেখিয়ে সিডিআর হিসাবায়ন করতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস কে সুর চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, এখন থেকে ব্যাংকগুলো ঋণ আমানত অনুপাত হিসাবায়নের ক্ষেত্রে আন্তব্যাংক ঋণের উদ্বৃত্ত আমানতকে হিসাব করতে পারবে।http://www.dailykalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=Tax&pub_no=566&cat_id=1&menu_id=24&news_type_id=1&index=3
Comments
Post a Comment