(শীর্ষ নিউজ ডটকম): চলতি অর্থ বছরে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়বে। এমনকি আগামী অর্থ বছরেও (২০১১-১২) এ বৃদ্ধির প্রবণতা বহাল থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-র সিনিয়র ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার ধানমন্ডিস্থ সিপিডি কার্যালয়ে আসন্ন ২০১১-১২ অর্থ বছরের বাজেট বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিমত দেন।
তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যের ব্যবহার কমানো কিংবা ভর্তুকি বাড়ানোর মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কমানো যাবে না। এ ক্ষেত্রে খাদ্য দ্রব্যের উৎপাদন আরো বাড়াতে হবে। এছাড়া খাদ্যের মজুদ ১২ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিকটন বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর বরাত দিয়ে তিনি জানান, চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১৪ শতাংশ এবং মোট মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ১০ শতাংশ। ফলে প্রায় তিন বছর পর মূল্যস্ফীতির হার দুই অঙ্কের কোঠায় গিয়ে দাঁড়ালো।
এক প্রশ্নের জবাবে ড. দেবপ্রিয় বলেন, অপ্রদর্শিত আয়, অবৈধ আয় কালো টাকা যেভাবে বলা হোক এ ধরনের আয়ের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া উচিত হবে না। এমন কোনো কর ব্যবস্থা আরোপ করা ঠিক হবে যাতে করে নৈতিক আয়কারীদের মধ্যে ও অনৈতিক উপায়ে আয়কারীর মধ্যে কোনো বৈষম্য দেখা দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিপিডির হেড অব রিসার্চ ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, আগামী অর্থ বছরে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি রোধ করা। এক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদনে সরকারকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া বাৎসরিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়নে সরকারকে নজরদারি ব্যবস্থা ও ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে জোরদার করতে মত দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে পুঁজি বাজারের অস্থীতিশীলতা দূরীকরণে বিনিয়োগকারীদের আয়ের ওপর করারোপসহ স্বল্প মেয়াদি বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করতে নীতিমালা তৈরির প্রস্তাব করেন বিশেষজ্ঞরা।
এ সময় সিপিডির পক্ষ থেকে কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন, শিল্পখাত, বিদ্যুৎ, জালানি ও যোগাযোগ খাত, সামাজিক নিরাপত্তা খাত, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, রপ্তানিমুখী খাতসহ বেশ কয়েকটি খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রতি সুপারিশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির নির্বাহি পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, পরিচালক ড. ফাতেমা ইউসূফসহ সিপিডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএফ/সস/১৫.০৪ঘ.)
তিনি বলেন, খাদ্যদ্রব্যের ব্যবহার কমানো কিংবা ভর্তুকি বাড়ানোর মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কমানো যাবে না। এ ক্ষেত্রে খাদ্য দ্রব্যের উৎপাদন আরো বাড়াতে হবে। এছাড়া খাদ্যের মজুদ ১২ থেকে ১৫ লাখ মেট্রিকটন বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর বরাত দিয়ে তিনি জানান, চলতি বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে ১৪ শতাংশ এবং মোট মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ১০ শতাংশ। ফলে প্রায় তিন বছর পর মূল্যস্ফীতির হার দুই অঙ্কের কোঠায় গিয়ে দাঁড়ালো।
এক প্রশ্নের জবাবে ড. দেবপ্রিয় বলেন, অপ্রদর্শিত আয়, অবৈধ আয় কালো টাকা যেভাবে বলা হোক এ ধরনের আয়ের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া উচিত হবে না। এমন কোনো কর ব্যবস্থা আরোপ করা ঠিক হবে যাতে করে নৈতিক আয়কারীদের মধ্যে ও অনৈতিক উপায়ে আয়কারীর মধ্যে কোনো বৈষম্য দেখা দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিপিডির হেড অব রিসার্চ ড. ফাহমিদা খাতুন জানান, আগামী অর্থ বছরে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি রোধ করা। এক্ষেত্রে খাদ্য উৎপাদনে সরকারকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। এছাড়া বাৎসরিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়নে সরকারকে নজরদারি ব্যবস্থা ও ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে জোরদার করতে মত দেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে পুঁজি বাজারের অস্থীতিশীলতা দূরীকরণে বিনিয়োগকারীদের আয়ের ওপর করারোপসহ স্বল্প মেয়াদি বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করতে নীতিমালা তৈরির প্রস্তাব করেন বিশেষজ্ঞরা।
এ সময় সিপিডির পক্ষ থেকে কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন, শিল্পখাত, বিদ্যুৎ, জালানি ও যোগাযোগ খাত, সামাজিক নিরাপত্তা খাত, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, রপ্তানিমুখী খাতসহ বেশ কয়েকটি খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রতি সুপারিশ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির নির্বাহি পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, পরিচালক ড. ফাতেমা ইউসূফসহ সিপিডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
(শীর্ষ নিউজ ডটকম/এইচএফ/সস/১৫.০৪ঘ.)
Comments
Post a Comment