ব্যাংকের মোট দায় নয় মোট ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার সুপারিশ করেছে আইএমএফ। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য গঠিত ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। আনত্মর্জাতিক মনিটরিং ফান্ডের (আইএমএফ) প্রায় ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি বাংলাদেশের শেয়ারবাজার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক খাতের সামগ্রিক অবস্থা পর্যালোচনা করেই বাংলাদেশ ব্যাংকের উর্ধতন কতর্ৃপৰের সঙ্গে এ সুপারিশ করেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, আইএমএফ সারা পৃথিবীতেই তাদের সুপারিশ পেশ করে। তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা উন্নয়নের লৰ্যে সংশিস্নষ্ট দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই সুপারিশমালা বা নির্দেশনা প্রদান করে। এরই অংশ হিসেবে আইএমএফ বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করতে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের ১০ শতাংশ নয়, মোট ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ করার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ৫ হাজার কোটি টাকার গঠিত বাংলাদেশ ফান্ড নিয়েও কিছুটা দ্বিমত পোশন করেছে। তিনি বলেন, আইএমএফের সুপারিশগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার যাচাই-বাছাই করে দেখবে। যদি এসব সুপারিশ বাংলাদেশের অনুকূলে যায় তাহলে তা মান্য করা হবে। আর যদি দেশের স্বার্থের বিপৰে চলে যায় তা পালন করা সম্ভব হবে না।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ অনুযায়ী ২৬ এর (২) এর উপধারা (১)এর (আ) অনুযায়ী কোন ব্যাংক তার মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যনত্ম শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। বিনিয়োগসীমা এর বেশি হতে পারবে না। আইনে শুধু ব্যাংকের ক্যাপিটালের ১০ শতাংশ বা এর বেশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার কথা উলেস্নখ করা হয়নি। ব্যাংকের ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হলে মোট দায়ের ১০ শতাংশের অনেক কম বিনিয়োগ করতে হবে। এ লৰ্যে সংসদে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬ ধারা পরিবর্তন করতে হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন পরিবর্তন না করে ব্যাংকের মোট ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ পর্যনত্ম শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে না।
আরও জানা গেছে, দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর আগ্রাসী বিনিয়োগ হুমকির মুখে উলেস্নখ করেছে। সংস্থার কর্মকর্তারা সম্প্রতি অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী মহলে এসব উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইএমএফ বলছে, অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করার লৰ্যে বাংলাদেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অনুৎপাদনশীল খাত বিশেষ করে শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছে। যা সংশিস্নষ্ট ব্যাংক বা দেশের আর্থিক অবস্থার জন্য একটি হুমকিস্বরূপ। কারণ হিসেবে তাঁরা বলেন, শেয়ারবাজারে যদি ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশের অতিরিক্ত বিনিয়োগ করে, আর বাজারে যদি কোন ধরনের ধস নামে, তাহলে ব্যাংকগুলোও ধসের মধ্যে পড়বে। এতে দেশের আর্থিক অবস্থায় একটি বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই আইএমএফ শেয়ারবাজারে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক বিনিয়োগ হ্রাস করার নির্দেশ দিয়েছে।
সংস্থাটি আরও বলেছে, দেশের শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে একটি ফান্ড গঠন করা হয়েছে। এটিও ব্যাংকের জন্য ভাল হবে না। কারণ ব্যাংকের অর্থ হলো-ডিপোজিটদের অর্থ। তাই ডিপোজিটদের অর্থ ঝুঁকিভিত্তিক খাতে বিনিয়োগ করা উচিত নয়। এটি পরিহার করারও পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ। এছাড়া ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে ব্যবসা করার জন্য যে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি বা ব্রোকারেজ হাউস গঠন করেছে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে ব্যাংক তার মূলধন প্রদান করে। আবার সেখান থেকে বিনিয়োগকারীদের ঋণ প্রদান করতে হয়। ফলে এসব অর্থ যেভাবেই দেয়া হোক না কেন মোটের ওপরে ব্যাংকের মূলধনই বা অর্থ থেকেই সরবরাহ করা হয়। আর শেয়ারবাজারে যদি কোনভাবে পতন ঘটে তাহলে এর দায়ভার বিনিয়োগকারী ব্যাংকের ওপরেই বর্তাবে। আইএমএফ এসব বিষয় নিয়ে সরকারের সংশিস্নষ্ট বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাছে তুলে ধরেছেন। যাতে করে শেয়ারবাজারও ভাল থাকে আর দেশের ব্যাংকিং খাত তথা আর্থিক খাতেও কোন ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।
আইএমএফ বলেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অধিক হারে মুনাফা করার লৰ্যে উৎপাদনশীল খাতের চেয়ে অনুৎপাদনশীল খাতে বেশি বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু ব্যাংকগুলোর এ ধরনের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সম্পর্কে সংস্থাটি অনেক আগেই সংশিস্নষ্টদের সতর্ক করে দিয়েছে। কিন্তু এতে কোন কাজ হয়নি। ফলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি অনেক আগ থেকেই ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ না করার পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ কমানোর জন্য কঠোর হতো, তাহলে ব্যাংকিং খাতে যে সামান্য অস্থিরতা রয়েছে তা দেখা দিত না।
আনত্মর্জাতিক এ সংস্থার মতে, ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ভাল নয়। ব্যাংকগুলো আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে কোথায় কি পরিমাণ বিনিয়োগ করছে তার তাৎক্ষণিক পরিসংখ্যান নেই। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যকে 'গোঁজামিল' হিসেবে অভিহিত করেছে আইএমএফ। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় 'ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন' করার পরামর্শ দিয়েছে আনত্মর্জাতিক সংস্থাটি। অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ প্রবাহের লাগাম টেনে ধরার পরামর্শও দিয়েছে সরকারকে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এসকেসুর চৌধুরী জনকণ্ঠকে বলেন, আইএমএফ সারা পৃথিবীতেই তাদের সুপারিশ পেশ করে। তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সামগ্রিক আর্থিক অবস্থা উন্নয়নের লৰ্যে সংশিস্নষ্ট দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই সুপারিশমালা বা নির্দেশনা প্রদান করে। এরই অংশ হিসেবে আইএমএফ বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতকে আরও শক্তিশালী করতে শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের ১০ শতাংশ নয়, মোট ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ বিনিয়োগ করার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ৫ হাজার কোটি টাকার গঠিত বাংলাদেশ ফান্ড নিয়েও কিছুটা দ্বিমত পোশন করেছে। তিনি বলেন, আইএমএফের সুপারিশগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার যাচাই-বাছাই করে দেখবে। যদি এসব সুপারিশ বাংলাদেশের অনুকূলে যায় তাহলে তা মান্য করা হবে। আর যদি দেশের স্বার্থের বিপৰে চলে যায় তা পালন করা সম্ভব হবে না।
সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন ১৯৯১ অনুযায়ী ২৬ এর (২) এর উপধারা (১)এর (আ) অনুযায়ী কোন ব্যাংক তার মোট দায়ের ১০ শতাংশ পর্যনত্ম শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। বিনিয়োগসীমা এর বেশি হতে পারবে না। আইনে শুধু ব্যাংকের ক্যাপিটালের ১০ শতাংশ বা এর বেশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার কথা উলেস্নখ করা হয়নি। ব্যাংকের ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা হলে মোট দায়ের ১০ শতাংশের অনেক কম বিনিয়োগ করতে হবে। এ লৰ্যে সংসদে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬ ধারা পরিবর্তন করতে হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন পরিবর্তন না করে ব্যাংকের মোট ক্যাপিটালের ২৫ শতাংশ পর্যনত্ম শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে না।
আরও জানা গেছে, দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলোর আগ্রাসী বিনিয়োগ হুমকির মুখে উলেস্নখ করেছে। সংস্থার কর্মকর্তারা সম্প্রতি অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী মহলে এসব উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আইএমএফ বলছে, অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করার লৰ্যে বাংলাদেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অনুৎপাদনশীল খাত বিশেষ করে শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করেছে। যা সংশিস্নষ্ট ব্যাংক বা দেশের আর্থিক অবস্থার জন্য একটি হুমকিস্বরূপ। কারণ হিসেবে তাঁরা বলেন, শেয়ারবাজারে যদি ব্যাংকগুলো তাদের মোট দায়ের ১০ শতাংশের অতিরিক্ত বিনিয়োগ করে, আর বাজারে যদি কোন ধরনের ধস নামে, তাহলে ব্যাংকগুলোও ধসের মধ্যে পড়বে। এতে দেশের আর্থিক অবস্থায় একটি বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই আইএমএফ শেয়ারবাজারে ব্যাংকের ঝুঁকিভিত্তিক বিনিয়োগ হ্রাস করার নির্দেশ দিয়েছে।
সংস্থাটি আরও বলেছে, দেশের শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চার ব্যাংকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে ৫ হাজার কোটি টাকার 'বাংলাদেশ ফান্ড' নামে একটি ফান্ড গঠন করা হয়েছে। এটিও ব্যাংকের জন্য ভাল হবে না। কারণ ব্যাংকের অর্থ হলো-ডিপোজিটদের অর্থ। তাই ডিপোজিটদের অর্থ ঝুঁকিভিত্তিক খাতে বিনিয়োগ করা উচিত নয়। এটি পরিহার করারও পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ। এছাড়া ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে ব্যবসা করার জন্য যে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি বা ব্রোকারেজ হাউস গঠন করেছে তাও সংশিস্নষ্ট ব্যাংকের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ সাবসিডিয়ারি কোম্পানিতে ব্যাংক তার মূলধন প্রদান করে। আবার সেখান থেকে বিনিয়োগকারীদের ঋণ প্রদান করতে হয়। ফলে এসব অর্থ যেভাবেই দেয়া হোক না কেন মোটের ওপরে ব্যাংকের মূলধনই বা অর্থ থেকেই সরবরাহ করা হয়। আর শেয়ারবাজারে যদি কোনভাবে পতন ঘটে তাহলে এর দায়ভার বিনিয়োগকারী ব্যাংকের ওপরেই বর্তাবে। আইএমএফ এসব বিষয় নিয়ে সরকারের সংশিস্নষ্ট বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাছে তুলে ধরেছেন। যাতে করে শেয়ারবাজারও ভাল থাকে আর দেশের ব্যাংকিং খাত তথা আর্থিক খাতেও কোন ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।
আইএমএফ বলেছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অধিক হারে মুনাফা করার লৰ্যে উৎপাদনশীল খাতের চেয়ে অনুৎপাদনশীল খাতে বেশি বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু ব্যাংকগুলোর এ ধরনের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সম্পর্কে সংস্থাটি অনেক আগেই সংশিস্নষ্টদের সতর্ক করে দিয়েছে। কিন্তু এতে কোন কাজ হয়নি। ফলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি অনেক আগ থেকেই ব্যাংকগুলোর শেয়ারবাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ না করার পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ কমানোর জন্য কঠোর হতো, তাহলে ব্যাংকিং খাতে যে সামান্য অস্থিরতা রয়েছে তা দেখা দিত না।
আনত্মর্জাতিক এ সংস্থার মতে, ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ভাল নয়। ব্যাংকগুলো আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে কোথায় কি পরিমাণ বিনিয়োগ করছে তার তাৎক্ষণিক পরিসংখ্যান নেই। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যকে 'গোঁজামিল' হিসেবে অভিহিত করেছে আইএমএফ। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় 'ডিমিউচু্যয়ালাইজেশন' করার পরামর্শ দিয়েছে আনত্মর্জাতিক সংস্থাটি। অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ প্রবাহের লাগাম টেনে ধরার পরামর্শও দিয়েছে সরকারকে।
Comments
Post a Comment