বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধনের শর্ত পূরণের জন্য নতুন করে রাইট শেয়ার ইসু্য করতে পারে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো। ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য প্রায় প্রতিটি ব্যাংককেই তাদের মূলধনের সীমা বাড়াতে হবে। সেৰেত্রে দু'একটি ব্যাংকের ৰেত্রে শুধু বোনাস ইসু্য করে পর্যাপ্ত মূলধন বৃদ্ধি করা সম্ভব হলেও বাকিগুলোর জন্য রাইট শেয়ার বা বন্ড ইসু্যর বিকল্প থাকবে না বলে সংশিস্নষ্টরা মনে করেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের অংশ হিসেবেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য এখন থেকে আর নূ্যনতম মূলধন বেঁধে দেয়া হবে না। প্রতিটি ব্যাংককেই তার ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। গত সোমবার এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মূলধন ইসু্যতে শীঘ্রই ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করে পর্যাপ্ত মূলধনের দিক-নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।
একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের নূ্যনতম পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা বেঁধে দেয়া হয়। চলতি বছরের ১১ আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এই সীমা পূরণ করতে হবে। অধিকাংশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের মোট পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা পূর্ণ করলেও ৬টি ব্যাংক এখনও এর নিচে রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারি তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। তবে শুধু মূলধন হিসেবে নিলে অধিকাংশ ব্যাংকই এখনও দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়ন করতে হলে ব্যাংকগুলোর মূলধনের পরিমাণ প্রায় ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। ফলে সব ব্যাংককেই মূলধন বাড়াতে হবে।
তাঁরা বলেন, ব্যাংকের মূলধন বাড়াতে হলে অবশ্যই রাইট বা বোনাস শেয়ার ইসু্য করতে হবে। এৰেত্রে যেসব ব্যাংকের পর্যাপ্ত পরিমাণ উদ্বৃত্ত তহবিল (রিজার্ভ) রয়েছে, সেসব ব্যাংক এই তহবিলকে মূলধনে রূপানত্মরের জন্য বোনাস ইসু্য করতে পারে। আবার উদ্বৃত্ত তহবিল ঠিক রেখে ব্যাংকগুলো রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে মূলধন বাড়াতে পারে। আর যেসব ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ নেই সেসব ব্যাংকের জন্য রাইট ইসু্যর বিকল্প থাকবে না। তবে মূলধন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাওয়ার পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে
সরকারী কোম্পানির তালিকাভুক্তি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সরকারী কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের খসড়া নীতিমালা চূড়ানত্ম এখন পর্যায়ে। মঙ্গলবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সম্পদ পুনমর্ূল্যায়ন কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে নীতিমালার খসড়া চূড়ানত্ম করা হবে বলে সিদ্ধানত্ম হয়েছে। নীতিমালা চূড়ানত্ম হলে তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বৈঠক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, কমিটির প্রধান এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুঁজিবাজারে আসার পর সরকারী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা কিভাবে বন্টন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট একেএম শামসুল আলম বলেন, সরকারী কর্মকর্তারা অবসরে যাওয়ার পর ভাতা পান। কিন্তু বেসরকারী কোম্পানিতে এ ভাতা দেয়া হয় না। সরকারী ও বেসরকারী কোম্পানিতে এ ধরনের কিছু সুযোগ সুবিধার তারতম্য রয়েছে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত সরকারী কোম্পানিগুলোর সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করে কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বন্টনের একটি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লৰ্যে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ৯ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পৰ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এ কমিটিকে নীতিমালার খসড়া প্রসত্মাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-03-30&ni=54137
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি এড়াতে ব্যাসেল-২-এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়নের অংশ হিসেবেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য এখন থেকে আর নূ্যনতম মূলধন বেঁধে দেয়া হবে না। প্রতিটি ব্যাংককেই তার ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ অনুযায়ী পর্যাপ্ত মূলধন রাখতে হবে। গত সোমবার এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয়া হয়েছে। মূলধন ইসু্যতে শীঘ্রই ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে প্রতিটি ব্যাংকের ঝুঁকির মাত্রা নির্ধারণ করে পর্যাপ্ত মূলধনের দিক-নির্দেশনা দেয়া হতে পারে।
একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ব্যাসেল-২ এর প্রথম পিলার বাসত্মবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পৰ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের নূ্যনতম পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা বেঁধে দেয়া হয়। চলতি বছরের ১১ আগস্টের মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এই সীমা পূরণ করতে হবে। অধিকাংশ ব্যাংক ইতোমধ্যেই মূলধন ও উদ্বৃত্ত তহবিলের মোট পরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা পূর্ণ করলেও ৬টি ব্যাংক এখনও এর নিচে রয়েছে। এ তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত তিনটি এবং বেসরকারি তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। তবে শুধু মূলধন হিসেবে নিলে অধিকাংশ ব্যাংকই এখনও দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় ব্যাসেল-২ এর দ্বিতীয় পিলার বাসত্মবায়ন করতে হলে ব্যাংকগুলোর মূলধনের পরিমাণ প্রায় ৭০০ কোটি টাকায় উন্নীত করতে হবে। ফলে সব ব্যাংককেই মূলধন বাড়াতে হবে।
তাঁরা বলেন, ব্যাংকের মূলধন বাড়াতে হলে অবশ্যই রাইট বা বোনাস শেয়ার ইসু্য করতে হবে। এৰেত্রে যেসব ব্যাংকের পর্যাপ্ত পরিমাণ উদ্বৃত্ত তহবিল (রিজার্ভ) রয়েছে, সেসব ব্যাংক এই তহবিলকে মূলধনে রূপানত্মরের জন্য বোনাস ইসু্য করতে পারে। আবার উদ্বৃত্ত তহবিল ঠিক রেখে ব্যাংকগুলো রাইট শেয়ার ইসু্যর মাধ্যমে মূলধন বাড়াতে পারে। আর যেসব ব্যাংকের উদ্বৃত্ত তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ নেই সেসব ব্যাংকের জন্য রাইট ইসু্যর বিকল্প থাকবে না। তবে মূলধন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পাওয়ার পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের নীতিমালা চূড়ান্ত পর্যায়ে
সরকারী কোম্পানির তালিকাভুক্তি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সরকারী কোম্পানির সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের খসড়া নীতিমালা চূড়ানত্ম এখন পর্যায়ে। মঙ্গলবার সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) সম্পদ পুনমর্ূল্যায়ন কমিটির বৈঠক হয়। বৈঠকে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে নীতিমালার খসড়া চূড়ানত্ম করা হবে বলে সিদ্ধানত্ম হয়েছে। নীতিমালা চূড়ানত্ম হলে তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। বৈঠক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, কমিটির প্রধান এসইসি চেয়ারম্যান জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পুঁজিবাজারে আসার পর সরকারী কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা কিভাবে বন্টন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট একেএম শামসুল আলম বলেন, সরকারী কর্মকর্তারা অবসরে যাওয়ার পর ভাতা পান। কিন্তু বেসরকারী কোম্পানিতে এ ভাতা দেয়া হয় না। সরকারী ও বেসরকারী কোম্পানিতে এ ধরনের কিছু সুযোগ সুবিধার তারতম্য রয়েছে।
উলেস্নখ্য, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য নির্ধারিত সরকারী কোম্পানিগুলোর সম্পদ পুনর্মূল্যায়ন করে কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বন্টনের একটি নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লৰ্যে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ৯ মার্চ এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পৰ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে এ কমিটিকে নীতিমালার খসড়া প্রসত্মাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ে জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2011-03-30&ni=54137
Comments
Post a Comment