দেশের পুঁজিবাজারে গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই অস্থিরতা বিরাজ করছে। বড় দরপতনের মধ্য দিয়ে এ অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে দরপতন অব্যাহত থাকে। ঘটে যায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ দরপতন। এ পরিস্থিতিতে লেনদেন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)।
সাধারণ বিনিয়োগকারীরা দরপতন ও লেনদেন বন্ধ রাখার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। অব্যাহত বিক্ষোভ, ভাঙচুর, আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটে। প্রায় প্রতিদিনই রণক্ষেত্রে পরিণত হয় মতিঝিলের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এলাকা।
অভিযোগ ওঠেছে, কিছু ব্যবসায়ী কারসাজি করে বাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উঠিয়ে নিয়েছে।
পুঁজিবাজারকে স্থিতিশীল করতে সরকার বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অব্যাহত দরপতনের পেছনে কোনো কারসাজি ছিল কিনা তা খুঁজে বের করতে গত ৩০ জানুয়ারি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই কমিটিকে ২ মাস সময় দেয়া হয়েছে।
সর্বশেষ আইসিবিকে দিয়ে ৫ হাজার কোটি টাকার ‘বাংলাদেশ ফান্ড\' নামে একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজার এখন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। তাই বিনিয়োগকারীদের অধৈর্য্য হওয়ার কোনো কারণ নেই।
স্বল্প সময় নয়, বরং দীর্ঘ সময়ের জন্য বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারে আসার আহ্বান জানান তিনি।
Comments
Post a Comment