বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অনুৎপাদনশীল খাতের বিনিয়োগ অনেক আগ থেকেই লাগাম টেনে ধরতে পারত বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে একদিকে যেমন আর্থিক খাতে তারল্য সঙ্কট সৃষ্টি হতো না, অন্যদিকে মূল্যস্ফীতিও হ্রাস পেত। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক সঠিক সময়ে ব্যাংকিং খাতে নজরদারি বাড়াতে পারেনি। ফলে ব্যাংক, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বলে আইএমএফ মনে করছে। সম্প্রতি আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেশের আর্থিক বিষয়ের চিত্র তুলে ধরে এসব অভিমত ব্যক্ত করেন।
সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সরকারের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ১ বিলিয়ন ডলার বা ৭ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেয়ার জন্য আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসে। এরা প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নরের সঙ্গে দেশের আর্থিক বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার পাশাপাশি যেসব জায়গায় অসঙ্গিত রয়েছে সে বিষয়েও সুপারিশ করেন। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাৰাত করে পুঁজিবাজারে ব্যাংকিং খাতের অতিরিক্ত বিনিয়োগের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। আইএমএফের এ ধরনের উদ্বেগের বিষয়গুলো অর্থ বিভাগ খতিয়ে দেখছে বলেও সূত্রে জানা গেছে।
আইএমএফের এ ধরনের বক্তব্যের জবাব অনেক আগেই বাংলাদেশ ব্যাংক কতর্ৃপৰ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছে। ওই জবাবে বলা হয়েছে. প্রায় দু' বছর আগ থেকেই শেয়ার বাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ কমানোর জন্য সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। শেয়ার বাজারে যেসব ব্যাংক রয়েছে সেগুলোকে পৃথক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করতেও নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানির ২৬-এর ২ উপধারা (১) অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের ১০ শতাংশের অতিরিক্ত অর্থ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ না করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব যুগোপযোগী নির্দেশনার কারণেই ব্যাংকগুলো আজ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। কোন বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েনি।
আইএমএফ বলছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অধিকর হারে মুনাফা করার লৰ্যে উৎপাদনশীল খাতের চেয়ে অনুৎপাদনশীল খাতে বেশি বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু ব্যাংকগুলোর এ ধরনের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সম্পর্কে সংস্থাটি অনেক আগেই সংশিস্নষ্টদের সতর্ক করে দিয়েছে। কিন্তু এতে কোন কাজ হয়নি। ফলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি অনেক আগ থেকেই ব্যাংকগুলোর শেয়ার বাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ না করার পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ কমানোর জন্য কঠোর হলে ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা থাকত না।
আনত্মর্জাতিক এ সংস্থার মতে, ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ভাল নয়। ব্যাংকগুলো আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে কোথায় কি পরিমাণ বিনিয়োগ করছে তার তাৎক্ষণিক পরিসংখ্যান নেই। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যকে 'গোঁজামিল' হিসেবে অভিহিত করেছে আইএমএফ। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় 'ডিমিউচুয়ালাইজেশন' করার পরামর্শ দিয়েছে আনত্মর্জাতিক সংস্থাটি। অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ প্রবাহের লাগাম টেনে ধরার পরামর্শও দিয়েছে সরকারকে।
জানা গেছে, সম্প্রতি আইএমএফের সুপারিশের কারণেই মূলত কিছু কিছু ৰেত্রে ঋণের সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা (১৩ শতাংশ) প্রত্যাহার করা হয়েছে। যদিও এটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল।
সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সরকারের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ১ বিলিয়ন ডলার বা ৭ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেয়ার জন্য আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসে। এরা প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নরের সঙ্গে দেশের আর্থিক বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার পাশাপাশি যেসব জায়গায় অসঙ্গিত রয়েছে সে বিষয়েও সুপারিশ করেন। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাৰাত করে পুঁজিবাজারে ব্যাংকিং খাতের অতিরিক্ত বিনিয়োগের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের দুর্বল মনিটরিং ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। আইএমএফের এ ধরনের উদ্বেগের বিষয়গুলো অর্থ বিভাগ খতিয়ে দেখছে বলেও সূত্রে জানা গেছে।
আইএমএফের এ ধরনের বক্তব্যের জবাব অনেক আগেই বাংলাদেশ ব্যাংক কতর্ৃপৰ অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছে। ওই জবাবে বলা হয়েছে. প্রায় দু' বছর আগ থেকেই শেয়ার বাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ কমানোর জন্য সংশিস্নষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। শেয়ার বাজারে যেসব ব্যাংক রয়েছে সেগুলোকে পৃথক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন করতেও নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংক কোম্পানির ২৬-এর ২ উপধারা (১) অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের ১০ শতাংশের অতিরিক্ত অর্থ শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ না করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসব যুগোপযোগী নির্দেশনার কারণেই ব্যাংকগুলো আজ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। কোন বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েনি।
আইএমএফ বলছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অধিকর হারে মুনাফা করার লৰ্যে উৎপাদনশীল খাতের চেয়ে অনুৎপাদনশীল খাতে বেশি বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু ব্যাংকগুলোর এ ধরনের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সম্পর্কে সংস্থাটি অনেক আগেই সংশিস্নষ্টদের সতর্ক করে দিয়েছে। কিন্তু এতে কোন কাজ হয়নি। ফলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক যদি অনেক আগ থেকেই ব্যাংকগুলোর শেয়ার বাজারে অতিরিক্ত বিনিয়োগ না করার পাশাপাশি অনুৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ কমানোর জন্য কঠোর হলে ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা থাকত না।
আনত্মর্জাতিক এ সংস্থার মতে, ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ভাল নয়। ব্যাংকগুলো আইন ও বিধি লঙ্ঘন করে কোথায় কি পরিমাণ বিনিয়োগ করছে তার তাৎক্ষণিক পরিসংখ্যান নেই। পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগ সম্পর্কিত তথ্যকে 'গোঁজামিল' হিসেবে অভিহিত করেছে আইএমএফ। পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় 'ডিমিউচুয়ালাইজেশন' করার পরামর্শ দিয়েছে আনত্মর্জাতিক সংস্থাটি। অনুৎপাদনশীল খাতে ঋণ প্রবাহের লাগাম টেনে ধরার পরামর্শও দিয়েছে সরকারকে।
জানা গেছে, সম্প্রতি আইএমএফের সুপারিশের কারণেই মূলত কিছু কিছু ৰেত্রে ঋণের সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা (১৩ শতাংশ) প্রত্যাহার করা হয়েছে। যদিও এটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল।
Comments
Post a Comment