শেয়ারবাজারকে সহায়তা দেওয়ার জন্য নবগঠিত বাংলাদেশ তহবিল নতুন করে নৈতিক বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে মন্তব্য করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ। চলতি মাসে আইএমএফের মিশনের সফর শেষে সরকারের কাছে দেওয়া সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন প্রতিবেদনে ঋণদাতা সংস্থাটি বলেছে, 'নতুন বাংলাদেশ তহবিল নৈতিক বিপদ ডেকে আনতে পারে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ অন্যান্য স্পন্সরদের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।'
চলতি মাসের ৮ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত আইএমএফ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের আর্থিক খাতের পর্যবেক্ষণ শেষে প্রতিবেদনটি প্রণয়ন করে।
প্রতিবেদনটিতে পুঁজিবাজার, মুদ্রার বিনিময় মূল্য, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য, চলতি ও আগামী অর্থবছরের বাজেটসহ বেশ কিছু বিষয়ে মন্তব্য করেছে আইএমএফ।
পুঁজিবাজার : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অংশগ্রহণের ব্যাপারে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর জোর তদারকি থাকতে হবে। জনগণের সম্পদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে রাষ্ট্র খাতের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য চাপ দেওয়া ঠিক হবে না। পুঁজিবাজারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারের হস্তক্ষেপ নৈতিক ঝুঁকি ডেকে আনবে এবং এর ফলে শেয়ারের প্রকৃত বাজারদরে মূল্যায়িত হওয়ার পথ বাধাগ্রস্ত হবে। মুদ্রানীতি, বার্ষিক পরিকল্পনা এবং ব্যাংকিং খাতের সুস্থিতি ও সুস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব এবং অতিমাত্রায় ঝুঁকি এড়ানোর জন্য সাম্প্রতিক মাসে কার্যকর সিকিউরিটিজ রেগুলেশনের শিথিলতা ধাপে ধাপে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে। বাজারে স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের জরুরি পরিকল্পনা ও যোগাযোগ কৌশল দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। বৃহত্তর স্টক এঙ্চেঞ্জকে পুনর্বিন্যাসের (ডিমিউচ্যুয়ালাইজ) পরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ পুঁজিবাজার প্রশাসনকে এখনই শক্তিশালী করতে হবে।
মুদ্রার বিনিময় মূল্য ও বাজেট : ২০১০ সালের পর থেকে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় মূল্য সাড়ে ৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে গত বছর যেখানে দৈনিক লেনদেন ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার হতো সেখানে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেটি শূন্য দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে। সরকারের আর্থিক প্রণোদনার ফলে ক্রেডিট গ্রোথ সর্বকালের সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ হয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত ঋণ সম্প্রসারণ আমদানি চাহিদা বেড়েছে এবং সম্পত্তির দামকে উসকে দিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে বিদেশে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বাড়বে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিছু অর্থবহ পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বাড়বে। অবকাঠামো খাতে বাড়তি বিনিয়োগের ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদাও বাড়বে। তবুও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়া, বাড়তি আমদানি ও ভর্তুকির চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা চাপের মধ্যে থাকবে। চলতি বছরের সংশোধিত বাজেট ও নতুন বাজেটে কর প্রশাসন সংস্কার, নতুন ভ্যাট ও আয়কর আইন প্রণয়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। নতুন ভ্যাট আইন আগামী অর্থবছরে ফিন্যান্স অ্যাক্টের আওতাভুক্ত হবে বলে আশা করছে আইএমএফ। সেখানে সীমিত ক্ষেত্রে ছাড় দিয়ে একক নির্ধারিত থাকা উচিত বলেও প্রতিষ্ঠানটি মনে করে।
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য : আইএমএফ বলেছে, ২০১০ সালের পর থেকেই সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের চাপ বেড়েছে। খাদ্য, জ্বালানি ও সুতার দাম বাড়া, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির স্লথগতি, সংকুলানমূলক মনিটরি পলিসি নেওয়ার কারণে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য আগের চেয়ে বেশি চাপের মধ্যে আছে। এর ফলে চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত গত অর্থবছরের জিডিপির ৩.৭৫ ভাগ থেকে চলতি অর্থবছরে ঘাটতি জিডিপির ০.৭৫ ভাগে নেমে আসবে। মধ্যমেয়াদে এ পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। মুদ্রাস্ফীতির চাপ বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ, যা বিগত দুবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে খরচ করেই এসব চাপ মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ। গত ছয় মাসে বৈদেশিক মুদ্রার বিক্রয় ও ওভার ড্রাফটের মাধ্যমে রিজার্ভ থেকে এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আকুর দায় ও ওভারড্রাফট সমন্বয়ের পর ফরেন এঙ্চেঞ্জের মোট রিজার্ভ ৯.৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা দিয়ে তিন মাসেরও বেশি কিছু সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।
চলতি মাসের ৮ থেকে ১৮ তারিখ পর্যন্ত আইএমএফ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের আর্থিক খাতের পর্যবেক্ষণ শেষে প্রতিবেদনটি প্রণয়ন করে।
প্রতিবেদনটিতে পুঁজিবাজার, মুদ্রার বিনিময় মূল্য, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য, চলতি ও আগামী অর্থবছরের বাজেটসহ বেশ কিছু বিষয়ে মন্তব্য করেছে আইএমএফ।
পুঁজিবাজার : প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অংশগ্রহণের ব্যাপারে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর জোর তদারকি থাকতে হবে। জনগণের সম্পদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে রাষ্ট্র খাতের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য চাপ দেওয়া ঠিক হবে না। পুঁজিবাজারে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকারের হস্তক্ষেপ নৈতিক ঝুঁকি ডেকে আনবে এবং এর ফলে শেয়ারের প্রকৃত বাজারদরে মূল্যায়িত হওয়ার পথ বাধাগ্রস্ত হবে। মুদ্রানীতি, বার্ষিক পরিকল্পনা এবং ব্যাংকিং খাতের সুস্থিতি ও সুস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব এবং অতিমাত্রায় ঝুঁকি এড়ানোর জন্য সাম্প্রতিক মাসে কার্যকর সিকিউরিটিজ রেগুলেশনের শিথিলতা ধাপে ধাপে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে। বাজারে স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের জরুরি পরিকল্পনা ও যোগাযোগ কৌশল দ্রুত প্রণয়ন করতে হবে। বৃহত্তর স্টক এঙ্চেঞ্জকে পুনর্বিন্যাসের (ডিমিউচ্যুয়ালাইজ) পরিকল্পনা বাস্তবায়নসহ পুঁজিবাজার প্রশাসনকে এখনই শক্তিশালী করতে হবে।
মুদ্রার বিনিময় মূল্য ও বাজেট : ২০১০ সালের পর থেকে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় মূল্য সাড়ে ৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে গত বছর যেখানে দৈনিক লেনদেন ২০ থেকে ২৫ মিলিয়ন ডলার হতো সেখানে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সেটি শূন্য দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে। সরকারের আর্থিক প্রণোদনার ফলে ক্রেডিট গ্রোথ সর্বকালের সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ হয়েছে। অনিয়ন্ত্রিত ঋণ সম্প্রসারণ আমদানি চাহিদা বেড়েছে এবং সম্পত্তির দামকে উসকে দিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে বিদেশে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বাড়বে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কিছু অর্থবহ পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বাড়বে। অবকাঠামো খাতে বাড়তি বিনিয়োগের ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদাও বাড়বে। তবুও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়া, বাড়তি আমদানি ও ভর্তুকির চাপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি কিছুটা চাপের মধ্যে থাকবে। চলতি বছরের সংশোধিত বাজেট ও নতুন বাজেটে কর প্রশাসন সংস্কার, নতুন ভ্যাট ও আয়কর আইন প্রণয়নের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। নতুন ভ্যাট আইন আগামী অর্থবছরে ফিন্যান্স অ্যাক্টের আওতাভুক্ত হবে বলে আশা করছে আইএমএফ। সেখানে সীমিত ক্ষেত্রে ছাড় দিয়ে একক নির্ধারিত থাকা উচিত বলেও প্রতিষ্ঠানটি মনে করে।
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য : আইএমএফ বলেছে, ২০১০ সালের পর থেকেই সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের চাপ বেড়েছে। খাদ্য, জ্বালানি ও সুতার দাম বাড়া, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির স্লথগতি, সংকুলানমূলক মনিটরি পলিসি নেওয়ার কারণে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য আগের চেয়ে বেশি চাপের মধ্যে আছে। এর ফলে চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত গত অর্থবছরের জিডিপির ৩.৭৫ ভাগ থেকে চলতি অর্থবছরে ঘাটতি জিডিপির ০.৭৫ ভাগে নেমে আসবে। মধ্যমেয়াদে এ পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। মুদ্রাস্ফীতির চাপ বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ, যা বিগত দুবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে খরচ করেই এসব চাপ মোকাবিলা করছে বাংলাদেশ। গত ছয় মাসে বৈদেশিক মুদ্রার বিক্রয় ও ওভার ড্রাফটের মাধ্যমে রিজার্ভ থেকে এক বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আকুর দায় ও ওভারড্রাফট সমন্বয়ের পর ফরেন এঙ্চেঞ্জের মোট রিজার্ভ ৯.৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা দিয়ে তিন মাসেরও বেশি কিছু সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে।
stock mrkt ki destroy hoye jacche ?? naki bank gulo T+3 te BF e tk dise ??? aita mrkt stable korte hlp korbe long run e
ReplyDeleteBank gulor investment risk e pore jabe !!! well BF diye jodi uniair kine tahole risk e porbe but BF to MF so onek restriction aache
MF gulo 2001 nd 2008 er fall o face korlo still profit kortase
so aita faltu issue